প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

পাপিয়ার কাছে থাকা ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন ডাকসু ভিপি

   
প্রকাশিত: ৭:৪৮ অপরাহ্ণ, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

শামীমা নূর পাপিয়া যুব মহিলা লীগের পদ বাগিয়ে অভিজাত এলাকায় জমজমাট নারী ব্যবসাসহ ভয়ঙ্কর সব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গিয়ে নেতাদের ফুল দিয়ে সেই ছবিও অপব্যবহার করতেন। শুধু গত এক মাসেই এই নারী রাজধানীর অভিজাত এক পাঁচ তারকা হোটেলে বিশাল অঙ্কের বিল পরিশোধ করেছেন। আর এ অর্থ খরচের কারণেই গোয়েন্দাদের চোখ পড়ে পাপিয়ার ওপর। একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে তার সব অপকর্মের কাহিনী। গত শনিবার দেশত্যাগের সময় পাপিয়াসহ তার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এর পর থেকেই পাপিয়া ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’। তার অপকর্ম নিয়ে গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে।

এছাড়া তার কাছ থেকে বেশ কিছু ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এবার এসব ভিডিওয়ের সাথে কারা জড়িত তাদের নাম প্রকাশের দাবি জানিয়ে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল।

তিনি তার ফেসবুক পেজে দেয়া পোস্টে লিখেন:

‘পাপিয়ার কাছে যেসব প্রভাবশালী ব্যক্তির আকাম-কুকামের ভিডিও পাওয়া গেছে তাদের পরিচয় কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না?
শোনা যাচ্ছে পাপিয়ার জালে ফেঁসে যাওয়া প্রভাবশালীদের কোন একজনই নাকি পাপিয়ার ঘন্টা বাজিয়ে দিয়েছে। আসল ক্লিয়ার সত্যটা কি জানাবেন?’ পাপিয়ার ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তার স্বামী মফিজুর রহমানেরও ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমান ও মোহাম্মদ জসীম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে বিমানবন্দর থানার জাল টাকা উদ্ধারের মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমান পাঁচ দিন, শেরেবাংলা নগর থানার অস্ত্র ও মাদক আইনে দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীম পাঁচ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো বলছে, রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত হোটেলে অবস্থান করে সুন্দরী যুবতীদের দিয়ে পাপিয়া পরিচালনা করতেন অবৈধ দেহব্যবসা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাপিয়া ও তার স্বামী অনেক অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। কারো মাধ্যমে কোনো কাজ হাসিল করতে চাইলে সুন্দরী যুবতীদের মাধ্যমে ওই ব্যক্তিকে পাপিয়া কৌশলে তার ডেরায় নিয়ে আসতেন। পরে গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ক্লিপসের ভয় দেখিয়ে টার্গেট পূরণ করতেন তিনি। মানসম্মানের ভয়ে ওই ব্যক্তিরাও পাপিয়ার নির্দেশের বাইরে যাওয়ার সাহস দেখাতেন না। এরই মধ্যে পাপিয়া-সুমন দম্পতি তাদের ব্যবসার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছেন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: