প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

আরমান হোসেন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

প্রবাসী ও বেকার তরুণদের জন্য সুখবর

১১ জুন ২০১৯, ১১:২১:৪০

ফাইল ফটো

একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেল ৩টায় ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করবেন। ৩০ জুন বাজেট পাসের পর ১ থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত অধিবেশন মূলতুবি রাখা হবে। এ বাজেট নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। তবে এ বাজেটে অনেক সুফল আসছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ঠরা।

সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসী কর্মীদের জীবন বিমা সুবিধার আওতায় আনার ঘোষণা থাকছে আগামী বাজেটে। এর আওতায় বিমাকারীর মৃত্যু হলে, দুর্ঘটনাজনিত স্থায়ী ও সম্পূর্ণ অক্ষমতা বা পঙ্গুত্ব বরণ করলে মূল বিমার শতভাগ পরিশোধ করার বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের ভিত্তিতে দাবি পরিশোধ করার কথাও থাকবে।

সূত্র জানায়, প্রবাসী কর্মীদের বিমা সেবার আওতায় আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের বিমা সুবিধার প্রয়োজনীয়তা, কর্মীদের আর্থিক সক্ষমতা, কর্মকালীন সম্ভাব্য ঝুঁকিসহ অন্যান্য সম্পর্কিত বিষয় বিবেচনায় আনা হয়েছে। বিমার প্রকারভেদের ক্ষেত্রে বলা হয়, এ নীতিমালার আওতায় প্রবাসী কর্মীদের জীবন বিমা সুবিধা দেওয়া হবে।

সাধারণত মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিমা সুবিধায় প্রিমিয়াম হার ও বিমা অঙ্ক বিমা গ্রহীতাদের বয়স ভেদে পার্থক্য হয়ে থাকে। তবে প্রবাসী কর্মীদের একটি গ্রুপ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিমা পরিকল্পটি বা পলিসিটি সহজীকরণের লক্ষ্যে বিমা গ্রহীতাদের বয়স নির্বিশেষে অভিন্ন প্রিমিয়াম হার আরোপ করা হবে।

বেকার তরুণদের জন্য থাকছে সুখবর: শিক্ষিত বেকার তরুণদের জন্য সুখবর থাকছে নতুন বাজেটে। তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তরুণরা যাতে সহজে ব্যবসা শুরু করে স্বাবলম্বী হতে পারেন সে জন্য আলাদা একটি তহবিল গঠনের প্রস্তাব করা হচ্ছে এবারের বাজেটে। ‘স্টার্টআপ ফান্ড’ নামে এতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, যেসব যুবক ব্যবসা শুরু করতে চাইবেন, তাদের প্রাথমিক পুঁজি সরবরাহ করা হবে এই তহবিল থেকে। দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের জন্য সবসময় বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাজেটে তরুণদের জন্য সরাসরি সহায়তার এমন উদ্যোগ এবারই প্রথম।

বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, প্রস্তাবিত ফান্ড কীভাবে পরিচালনা করা হবে, কত টাকা দেওয়া হবে, ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে নাকি অনুদান দেওয়া হবে, এসব বিষয়ে একটি নীতিমালা তৈরি করা হবে। ওই নীতিমালার ভিত্তিতে এই সহায়তা দেওয়া হবে। বাজেট ঘোষণার পর এটি চূড়ান্ত করা হবে।

প্রাথমিকভাবে আসন্ন বাজেটে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। পরে চাহিদা বাড়লে টাকার অঙ্ক আরও বাড়ানো হবে।

বিডি২৪লাইভ/এইচকে

এইচএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: