প্রচ্ছদ / অপরাধ / বিস্তারিত

প্রেমিকার কাছে এএসপি প্রমাণ দিতে এসে ধরা খেলেন যুবক

   
প্রকাশিত: ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ, ১৬ অক্টোবর ২০২০

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পরিচয়ে এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে নিজেকে এএসপি প্রমাণের জন্য তরুণীকে নিয়ে যান মাওনা এলাকায় পুলিশ বক্সে। এরপরই ঘটে আসল ঘটনা। ভুয়া এএসপি পরিচয় দেয়া ওই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটক ওই যুবকের নাম কাউছার (২৮)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মজিদপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে।

এ সময় তার কাছ থেকে গণভবনের একটি আইডিকার্ড জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে মাওনা চৌরাস্তা হাইওয়ে পুলিশ বক্স থেকে তাকে আটক করা হয়।

মাওনা হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল মামুন বলেন, কাউছার দুপুর সোয়া ১২টার সময় মাওনা উড়াল সেতুর নিচে কর্তব্যরত কনস্টেবলদের কাছে নিজেকে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে পরিচয় দেন। এ সময় তার সঙ্গে এক তরুণী ছিল।

পরে তারা আমাকে ফোনে জানালে আমি ওই ভুয়া এএসপিকে উড়াল সেতুর নিচে পুলিশ বক্সে নিয়ে বসিয়ে অপ্যায়ন করার কথা বলি। পুলিশ বক্সে গিয়ে দেখি তিনি আমার চেয়ারে বসে আছেন। তার কথাবার্তা ও আচরণ সন্দেহজনক হলে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রকৃত পরিচয় স্বীকার করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ওই তরুণী কৌশলে সটকে পড়েন। কাউছারের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে মামলা রয়েছে।

আটক কাউছার জানান, তিনি ওই মেয়ের সঙ্গে সিনিয়র এএসপি পরিচয়ে মুঠোফোনে দুইদিনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে নিজেকে এএসপি প্রমাণের জন্য মেয়েটিকে নিয়ে মাওনা এলাকায় পুলিশ বক্সে আসেন।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে শ্রীপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: