প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

প্রেমের টানে হিন্দু থেকে মুসলিম হলো গোপালগঞ্জের তপন

   
প্রকাশিত: ১০:৫৬ অপরাহ্ণ, ২৬ মে ২০২০

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মোচনা ইউনিয়নের বামনিয়া গ্রামের সন্তোষ বিশ্বাসের ছেলে তপন বিশ্বাস। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ হিন্দু। নিয়মিত বিষ্ণু পূজা দিতেন সে। তিনি বিয়ে করে হিন্দু থেকে মুসলিম হয়ে গেলেন। তপন বিশ্বাস নাম বদলে এখন নাম রেখেছে শাহ আলম মীনা। এ ঘটনায় পুরো মুকসুদপুর উপজেলার মোচনায় চাঞ্চল্য ও আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মোচনা ইউনিয়নের তপন বিশ্বাসের সাথে একই গ্রামের বশার মীনার মেয়ে হাজেরা আক্তারের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। এ প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে গত ২০ মে বুধবার গোপালগঞ্জ জেলা বিজ্ঞ নোটারি পাবলিকের কার্যালয় থেকে এ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে হিন্দু ধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে ২৩ মে শনিবার এক হাফেজের মাধ্যমে কালিমা শরীফ পাঠ করে মুসলিম হন। পরবর্তীতে ২৪ মে গোপালগঞ্জ জেলা বিজ্ঞ নোটারি পাবলিক কার্যালয় থেকে শাহ আলম মীনা একই গ্রামের হাজেরা আক্তারকে কোর্ট ম্যারেজের বিয়ে করে।

একইদিন রাতে মোচনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মোল্যা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে মসজিদের ইমামের মাধ্যমে তাকে আবার কালেমা পাঠ করান। এ সময় স্থানীয়দের সাথে তাকে মুসলিম হিসাবে পরিচয় করিয়ে দেন।

স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে হাজেরা আক্তার ও তপনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। এরই মধ্যে উভয়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তাই সে হিন্দু ধর্ম ত্যাগে করে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেন।

তপন বিশ্বাস (বর্তমানে মো. শাহ আলম মীনা) জানান, ভালোবাসার জন্য সে সবকিছু ছেড়ে দিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ইসলাম ধর্মের আচার আচরণ আর রীতি নিতি দেখে মুসলিম হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে মোচনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মোল্যা বলেন, বিষয়টি মেয়ের বাবা ও তপন (নতুন নাম শাহ আলম মীনা) আমাকে অবগত করে। আমি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্মতিক্রমে কাজী ডেকে ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুসারে দ্বিতীয়বারের মত তপনকে (শাহ আলম) মেয়ের বাবাকে হাজির রেখে ও তার সম্মতিক্রমে বিবাহর কাজ সম্পন্ন করি।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: