প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

হারুন-অর-রশীদ

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ!

   
প্রকাশিত: ৬:০৫ অপরাহ্ণ, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: প্রতিনিধি

ফরিদপুরের নগরকান্দায় দেলোয়ারা বেগম নামের এক ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলের বিরুদ্ধে সীল জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ফরিদপুর প্রেসকাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ তুলেন ফারজানা খানম রিনি নামের এক ব্যাক্তি। ফারজানা খানম রিনি জেলার নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ খাঁনের মেয়ে।

রিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ফরিদপুরের নগরকান্দার তালমা একটা ইউনিয়ন পরিষদ। সেখানে বর্তমান তালমা ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান দেলোয়ারা বেগম। কিন্তু তার ছেলে এলাকার চিহিৃত সন্ত্রাসী ও দাগী মাদক ব্যবসায়ী মো. কামাল হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ দেলোয়ারা বেগমের (চেয়ারম্যান) সীল ও স্বাক্ষরসহ সকল কার্যক্রম জাল জালিয়াতি করে আসছে এবং নিজেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দাবী করছেন। যদিও সে ওই ইউনিয়নের একজন সদস্যও না। কামালের বিরুদ্ধে বিগত দিনেও জনপ্রতিনিধিদের সীল, স্বাক্ষর জাল জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এছাড়াও চেয়ারম্যানের যোগসাজশে সরকারি অনুদান প্রদানেও ব্যাপক অনিয়ম করেছে কামাল।

ফারজানা খানম রিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবী করেন, ঢাকার রামপুরা থানায় মো. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে ভূমি দস্যু, মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাসী, ডাকাতিসহ ১২ টি মামলা রয়েছে। এছাড়া নিজ উপজেলার নগরকান্দা থানায়ও খুন, গুম, চাঁদাবাজী, লুট ও সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ রয়েছে। জামাল-কামালের নির্দেশে তালমা ইউনিয়নে মারামারি-কাটাকাটি ও ঝামেলা লেগেই আছে। সাধারণ মানুষ জামাল-কামাল বাহিনীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এমতাবস্থায় কামালের পরিবারের ভঁয়াল থাবা থেকে বাঁচতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসি ।

তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে মো. কামাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে বানোয়াট,ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। এসময় কামাল হোসেন নিজেকে ফরিদপুর জেলা পরিষদের একজন সদস্য দাবী করে বলেন, আম্মার সই (চেয়ারম্যান দেলোয়ারা বেগম) আম্মা নিজেই করেন। আমি কেন তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করতে যাবো। আমার জেলা পরিষদের অনেক ফাইলেরই স্বাক্ষর আমার করতে হয়। হয়তো বিষয়টি পুরোপুরি না জেনে আমাকে হয়রানী করতে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে আনীত ঢাকার রামপুরা থানায় মো. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে ভূমি দস্যু, মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাসী, ডাকাতিসহ ১২ টি মামলার অভিযোগের বিষয়ে কামাল হোসেন বলেন, এসব ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। আমার বিরুদ্ধে রামপুরা থানায় কিছু রাজনৈতিক হয়রানীমূলক মামলা ছিলো। তবে সকল মামলাই প্রত্যাহার করা হয়েছে। এসময় কামাল দাবী করেন, ফারজানা রিনির বাবা আমাদের তালমা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী, তাইতো হয়রানী করতে আমাদের বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: