প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

ফেসবুকে হুমকির ঘটনায় আ.লীগের দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

   
প্রকাশিত: ১০:৪০ অপরাহ্ণ, ১১ জুলাই ২০২০

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরবংশী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, দলীয় কোন্দল ও পূর্ব শক্রতার জেরে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং সংষর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় কমপক্ষে ২০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি প্রাইভেটকার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে উত্তর চরবংশী ইউপির খাসের হাট বাজারে এ সংষর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে তিন থানার পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা যায়, স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রহুল আমিন ফলীফা, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন হাওলাদারের ভাতিজা, তার অনুসারী মো. আওলাদ হোসেন ও রাশেদ খলিফার গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ফেসবুক পোস্টে হুমকির ঘটনায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। ওই সংঘর্ষে গুরুতর আহত, পান্নু মাঝি, সবুজ হাওলাদার, মাইনুদ্দিন আসামী, সোহাগ দেওয়ান, আব্দুল কাদের, রুহুল খলিফা, মুযাহিদ, জসিম, বাবু, সাহাবুদ্দিন আসামী, রাসেদ, ইমন, সিদ্দিক, জুলহাস, ইব্রাহিম, সোহেলসহ ২০ নেতাকর্মী রায়পুর, লক্ষ্মীপুর ও ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, উপজেলা নির্বাচনের পর থেকে সাবেক চেয়ারম্যান আলতাফ মাস্টারকে কেন্দ্র করে উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে দলীয় কর্মকা- চলছিলো। কয়েকবার সংঘর্ষ, ভাঙচুর, আহত ও পাল্টাপাল্টি একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। এঅবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা ওসমান খাঁ, আলাউদ্দিন খাঁ আলতাফ মাস্টারের সঙ্গে মীমাংসা করেন নিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিলো।

এ অবস্থায় শুক্রবার সকালে ওসমান খাঁ গ্রুপের রুহুল আমিন খলিফার অনুসারী এক কর্মী ‘খাসেরহাট স্বাধীন হয়েছে ও প্রয়োজনে আবার স্বাধীন হবে’ এমন লেখাকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রুপের মধ্যে ফেসবুকে হুমকিধমকি শুরু হয়। এর জের ধরে শুক্রবার রাতে রুহুল আমিন ও রাশেদ খলিফার নেতৃত্বে ৭/৮ জন কর্মী আলতাফ মাস্টারের কার্যালয়ের সামনে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করে। এসময় বাধা দেওয়ায় আরো ১৫ জন কর্মীকে পিটিয়ে আহত ও কার্যালয়সহ মাস্টারের একটি পাইভেটকার ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়। এঘটনায় রুহুল আমিন ও রাশেদ খলিফা জানান, শুক্রবার রাতে আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে দলীয় সভা করছিলাম। এ সময় সবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলতাফ মাস্টারের ভাতিজা আলাউদ্দিন মিথ্যা অজুহাতে ঝগড়া লাগিয়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি করেছে। আমাদের ৬ নেতা-কর্মী লক্ষ্মীপুর ও ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: