প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

বগুড়ায় চাল উৎপাদন ব্যাহত, বাজার অস্থিতিশীল

   
প্রকাশিত: ৪:৩৫ অপরাহ্ণ, ৬ এপ্রিল ২০২০

আব্দুল ওয়াদুদ, শেরপুর (বগুড়া) থেকে: অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে বগুড়ার চালের বাজার। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকার ভেদে কেজি প্রতি ৫ থেকে ৮ টাকা করে চালের দাম বেড়েছে। ব্যাসায়ীরা বলছে একদিকে ধানের দাম বেশি অন্যদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে কাজের মানুষ সংকটের কারণে উৎপাদন করতে ব্যাহত হচ্ছে। এ জন্য দামটা বেশি।

বগুড়ার বিভিন্ন খুচরা চালের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বিআর-২৮, বিআর-২৯ এবং বিআর ৪৯ চালের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এই ৩ প্রকার চাল দুই সপ্তাহ আগে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আর এখন ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। স্বর্ণা চাল দুই সপ্তাহ আগে ৩৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এখন বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা দরে। রনজিৎ চাল দুই সপ্তাহ আগে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, এখন ৪৩ থেকে ৪৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় কাটারি ভোগ চাল দুই সপ্তাহ আগে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকা দরে। মিনিকেট দুই সপ্তাহ আগে ৪৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৪ টাকা দরে।

পাইজাম চাল দুই সপ্তাহ আগে ৪৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এখন বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকা কেজি দরে। নাজিরশাইল চাল দুই সপ্তাহ আগে ৫২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। কাজল লতা চাল দুই সপ্তাহ আগে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকা কেজি দরে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণের কারণে চালের চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। কিন্তু পাইকারি আড়ত থেকে তাদেরকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা হচ্ছে না। অপরদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিলারদের গুদাম থেকে তাদেরকে চাহিদা মতো চাল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে চাল কল মালিকরা দাম বাড়ানোর কারণে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে চাল বিক্রি করতে হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং করতে এসে খুচরা ব্যবসায়ীদের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। সেই দামে তারা পাইকারি বাজার থেকে চাল কিনতে পারছে না। বগুড়া জেলা চাল কল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক দুদু জানান, বাজারে ধানের সংকট দেখা দিয়েছে। মৌসুমের শুরুতে ধানের মণ ছিল ৬০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা। সেই ধান এখন ১ হাজার টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে না। তাই চালের দাম বেড়েছে।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: