জাহিদুল ইসলাম

কুবি প্রতিনিধি

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী উপহার দিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ

   
প্রকাশিত: ৮:৩১ অপরাহ্ণ, ৫ ডিসেম্বর ২০১৯

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অর্থনীতি বিভাগের ১৩ তম ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী উপহার দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে বিভাগটির সহযোগী সংগঠন ‘অর্থনীতি ক্লাব’ এর উদ্যোগে আয়োজিত অর্থনীতি সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ^বিদ্যালয়ের ১৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়। এছাড়া বিভাগটির ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় ও সপ্তাহব্যপী আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও অর্থনীতি ক্লাবের সভাপতি ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদার এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. শামিমুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ বিভাগটির বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীবৃন্দ প্রমুখ।ৎসমাপনী অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল তাঁর বক্তব্যে বলেন,‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আসলে যে এলাকায় অবস্থিত সেখানে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত রয়েছে। আমাদের যদি প্রত্যয় থাকে এবং আমরা যদি সঙ্গবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই তাহলে দায়িত্ব যত কঠিনই হোক না কেন তা পালন করা আমাদের কষ্টসাধ্য হবে না।’

অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. শামীমুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তোমাদেরকে সময়ের মূল্য দিতে হবে। নিয়মিত ক্লাস, পড়াশোনা এবং লাইব্রেরিতে যদি সময় দাও তবে তোমরা সাফল্য লাভ করবে।’ তিনি আরও বলেন, নিজের ক্যারিয়ারের উন্নতিলাভ করতে যে পথে চললে, যে পথ অনুসরণ করা দরকার সে পথ অনুসরণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিভাগের ৮ম ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ও ১৩ তম ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী উপহার দেওয়া হয়। বিভাগটির এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মধ্য দিয়ে। যেখানে বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা গান, নাচ, কবিতা, অভিনয়সহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে।

উল্লেখ্য, অর্থনীতি বিভাগের আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালায় ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন আনন্দ-আয়োজন, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মধ্যে ছিল ক্যারাম, দাবা, বিতর্ক, কবিতা আবৃত্তিসহ নানা প্রতিযোগিতা। এছাড়াও ব্যাচ ভিত্তিক ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, বিতর্ক ও কুইজ প্রতিযোগিতাও উৎসবের অংশ ছিল।

এআইআ/এইচি

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: