প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

বন্ধুর স্ত্রীকে ৯ মাস ধরে ধর্ষণ, আসামি সবুজ গ্রেফতার

   
প্রকাশিত: ৫:৪৫ অপরাহ্ণ, ১৯ অক্টোবর ২০২০

প্রতীকী ছবি

বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণ মামলার অনত্যম আসামি খাইরুল আলম সবুজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে বান্দরবান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ৯ মাস ধরে নিয়মিত ধর্ষণ করে তিন বন্ধু। ধর্ষণের এই ভিডিও আন্তর্জাতিক কয়েকটি পর্নোসাইটে বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুরের কাপাসিয়ার সাফাইশ্রী গ্রামে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা গৃহবধূ বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন- কাপাসিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক মাহফুজুর রহমান ওরফে রাসেল মোল্লা (৪০), গ্যাস ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম সবুজ (৩৮) ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক জাকির হোসেন সোহেল (৩৯)।

মামলা বিবরণে জানা গেছে, দলিল লেখক মাহফুজুর রহমান রাসেল মোল্লার সহকারী হিসেবে কাজ করতেন সাফাইশ্রী গ্রামের এক ব্যক্তি। ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর রাত ১১টার দিকে রাসেল মোল্লা ওই ব্যক্তির বাড়িতে যান। কিন্তু তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে তার স্ত্রীকে জোর করে ধর্ষণ করেন রাসেল মোল্লা। এ দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করেন। পরে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে দুই বন্ধু সবুজ ও সোহেলকে নিয়ে প্রায়ই রাসেল ওই নারীকে ধর্ষণ করতেন।

মামলায় আরও বলা হয়, গত ২২ জুলাই খাইরুল ইসলাম সবুজ ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি ওই নারীর স্বামী জেনে যান। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। স্ত্রীর বাড়ির লোকজনকে ডেকে এনে তার স্বামী সংসার ভাঙার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। গত ২৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী রাসেল মোল্লা, সবুজ ও সোহেল ও নারীর বাড়িতে গিয়ে ওই নারী ও তার স্বামীকে গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে ধারালো দা দেখিয়ে তাদের হত্যার চেষ্টা করেন। পরে ওই নারী এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কাপাসিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ছাড়াও পর্নোসাইটে ধর্ষণের ভিডিও আপলোড করার অভিযোগ এনে গাজীপুর আদালতে ওই নারী বাদী হয়ে পর্নোগ্রাফি আইন ২০১২ এর ৮(১) এবং প্যানাল কোড ৪৪৮/৫০৬ ধারার মামলা (নম্বর সিআর ২৩৫/২০, তারিখ ০৩-০৯-২০২০, স্মারক নম্বর ১০৪৭ (মূল) তারিখ ১০-০৯-২০২০) দায়ের করেন।

ধর্ষিতা ওই নারীর স্বামী অভিযোগ করে জানান, রাসেল মোল্লা, সবুজ ও সোহেল মিলে তার স্ত্রীকে ধর্ষণের ভিডিও আন্তর্জাতিক কয়েকটি পর্নোগ্রাফি সাইটে বিক্রি করে দেয়। ইন্দোনেশিয়া ও ভারতের এসব পর্নোসাইটে ধর্ষণের ভিডিও এখন সবার হাতে হাতে। তিনি বলেন, ‘বিদেশি কয়েকটি পর্নোসাইটে ধর্ষণের ভিডিও আপলোড করা হয়।’

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: