মোঃ আশরাফুল আলম

বশেমুরবিপ্রবি (BSMRSTU) প্রতিনিধি

বশেমুরবিপ্রবি’তে ইটিই বিভাগকে ইইই বিভাগে রূপান্তর পূর্বক ক্লাস শুরুর দাবিতে মানববন্ধন

   
প্রকাশিত: ১০:৫০ অপরাহ্ণ, ১৭ নভেম্বর ২০২০

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(বশেমুরবিপ্রবি) ইলেক্ট্রিকাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইন্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সিলেবাসের আলোকে দ্রুত সিলেবাস প্রণয়ন করে ক্লাস শুরুর দাবিতে মানববন্ধন পালন করেছেন ইলেকট্রনিক্স এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর)বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটকের সামনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে প্রায় অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থী।

মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী ইটিই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী কামরুল হাসান বলেন, “ইটিই বিভাগের সিলেবাস এবং ইইই বিভাগের সিলেবাস প্রায় একই হলেও ইটিই বিভাগে চাকরির সুযোগ কম। ইতোমধ্যে বিষয়টি বিবেচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ইটিই বিভাগকে ইইই তে রূপান্তর করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরাও আমাদের ইটিই বিভাগকে ইইই এর সাথে একীভূতকরণের দাবি জানিয়ে ২০১৯ সালের ১৭ অক্টোবর একটি স্মারকলিপি দেই এবং তৎকালীন প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় ২৭ অক্টোবর থেকে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন শুরু করি। এরপর তৎকালীন প্রশাসন ১৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে এবং আমাদের দাবিকে যৌক্তিক আখ্যা দেন। তবে এসময় আমাদের বলা হয় পূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ছাড়া কিছু করা সম্ভব নয়। কিন্তু পূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য আসার পর দুই মাস পার হলেও এখনও আমাদের সমস্যার সমাধান হয়নি”।

এ সময় উক্ত শিক্ষার্থী আরও বলেন, “দীর্ঘদিন যাবৎ ক্লাস পরীক্ষার বাইরে থাকায় আমরা অনেকটা পিছিয়ে পড়েছি। আমাদের এখন একটাই দাবি, দ্রুত ইইই এর আলোকে নতুন সিলেবাস প্রণয়ন করে আমাদের ক্লাসে ফেরার সুযোগ দেয়া হোক।”

তাছাড়া, মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির যৌক্তিকতা উল্লেখ করে উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য ড. এ.কিউ.এম মাহবুব বলেন, “বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রথমে ডিনস কমিটির মিটিংয়ে এবং দুই চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করবো। পরবর্তীতে এটি একাডেমিক কাউন্সিলে আলোচনা করা হবে এবং রিজেন্ট বোর্ডে যেতে পারে। সবশেষে বিষয়টি ইউজিসিতে পাঠানো হবে। সবমিলিয়ে হয়তো এক দুই মাস লাগতে পারে।”

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: