বশেমুরবিপ্রবি’তে থামছে না গবাদি পশুর অবাধ বিচরণ

   
প্রকাশিত: ১:৩৭ অপরাহ্ণ, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: প্রতিনিধি

আশরাফুল আলম, বশেমুরবিপ্রবি থেকে: গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি)করোনার প্রভাবে বন্ধ থাকায় পরিণত হয়েছে গবাদিপশুর অবাধ চারণক্ষেত্রে। দিন দিন বেড়েই চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ষতির হার। বন্ধ ক্যাম্পাসে প্রায়শই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে দেখা যাচ্ছে নিরবিচ্ছিন্নভাবে গবাদিপশুর অবাধ চলাচল এবং সেখানে থাকা গাছপালার খাওয়ার দৃশ্যও। সেই সাথে গবাদিপশু অবাধ চলাচলের কারণে যেখানে সেখানে গোবর পড়ে থাকায় নষ্ট হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ।

এ বিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র সাদিদ হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন যাবৎ অবস্থান করার ফলে এই লকডাউনে টানা কয়েকদিন যাবৎ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে গবাদিপশুর অবাধ চলাচল দেখতে পাচ্ছি। ক্যাম্পাসের ভিতরে ছোট-ছোট ফুল ও ফল গাছ খেয়ে ফেলার কারণে ও যেখানে সেখানে গোবর, মল-মূত্র থাকার কারণে নষ্ট হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশও।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য এক শিক্ষার্থী বলেন, প্রায় প্রতি বছরই বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য বড় অংকের টাকার গাছপালা লাগানো হয়। কিন্তু এ সকল গবাদিপশুর অবাদ বিচরণের ফলে তা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং এতে করে নষ্ট হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য।

এ নিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, উপাচার্য স্যারের বাংলোর পিছনে খালের জায়গায়টা অরক্ষিত থাকার কারণে স্থানীয় কিছু গ্রামবাসী ঐ স্থান দিয়ে টানা কয়েকদিন যাবৎ গরু নিয়ে প্রবেশ করে যাচ্ছে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে তাদেরকে বাঁধা দিলেও তা অনেকেই মানছে না।

এ বিষয়ে তিনি আরো জানান, গ্রামবাসীকে সচেতন করার জন্য আমরা মাইকিং ব্যবস্থা করবো যাতে কেউ গরু নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ না করে এবং এটা নিয়ে খুব দ্রুতই আমি উপাচার্য স্যারের সাথে কথা বলে স্যারের নির্দেশনার আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

প্রসঙ্গত, গতকাল (২৬ সেপ্টেম্বর) গবাদি পশু কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্যবান গাছ খাওয়া এবং বিনষ্টের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: