আশরাফুল আলম

ডেস্ক কন্ট্রিবিউটর, বিডি২৪লাইভ

বশেমুরবিপ্রবির ১৫০৮ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন ইউজিসি শিক্ষাঋণ

   
প্রকাশিত: ৯:০৭ অপরাহ্ণ, ১৩ নভেম্বর ২০২০

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে থমকে পুরো বিশ্ব। মার্চ থেকেই বন্ধ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পিছিয়ে পড়ছে সকল শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে অনলাইন ক্লাস। দীর্ঘ এ বিরতিতে শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা কার্যক্রমের মাঝে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পক্ষ স্মার্টফোন সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছিলো শিক্ষাঋণ। এরই ধারাবাহিকতায় বশেমুরবিপ্রবির ১৫০৮ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন ইউজিসি শিক্ষাঋণ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থী উপদেষ্টা ড. মো. শরাফত আলী বলেন, “ইউজিসিকে আমরা শিক্ষাঋণ প্রদানের জন্য মোট ১৫০৮ শিক্ষার্থীর তালিকা দিয়েছিলাম। এর প্রেক্ষিতে ইউজিসির পক্ষ থেকে সফটলোন প্রদানের জন্য একটি নীতিমালা প্রদান করা হয়েছে এবং নীতিমালা অনুযায়ী ঋণ প্রদানের জন্য আগামী রবিবার একটি কমিটি গঠন করা হবে।”

সফটলোনের বিষয়ে ইউজিসি থেকে প্রেরিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, “ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের যে তালিকা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে, তাদেরকে ঋণের বিষয়টি যথাযথভাবে অবিহিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক কমিশনে প্রেরিত তালিকায় শিক্ষার্থীর নাম আছে কি-না তা পুনরায় যাচাই করে দেখতে হবে ও কমিটির সুপারিশের আলোকে ৮ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে আগামী ৩১ জানুয়ারি, ২০২১ এর মধ্যে দিতে হবে।”

নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের প্রদানকৃত এই ঋণ সম্পূর্ণ সুদমুক্ত এবং স্মার্টফোন ক্রয়ের ভাউচারটি সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে ১০ ফ্রেব্রুয়ারী ২০২১ এর মধ্যে সফটলোন অনুমােদন কমিটি’র সদস্য-সচিব এর নিকট জমা দিতে হবে।

এছাড়া, নীতিমালা সম্বলিত নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, “এই ঋণের অর্থ সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় খােলার পর কিংবা অধ্যয়নকালীন সময়ে ৪টি সমান কিস্তিতে বা এককালীন পরিশােধ করিতে হইবে এবং ঋণের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নামে কোন ট্রান্সক্রিস্ট ও সাময়িক/মূল সনদ ইস্যু করা হবে না।”

প্রসঙ্গত, বশেমুরবিপ্রবি থেকে সর্বপ্রথম শিক্ষাঋণের জন্য প্রায় ৩১০০ শিক্ষার্থীর তালিকা প্রদান করা হয়েছিলো। কিন্তু ইউজিসি থেকে জানানো হয় একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শিক্ষার্থীকে ঋণ প্রদান করা হবে। এর প্রেক্ষিতে সর্বশেষ ১৫০৮ শিক্ষার্থীর তালিকা প্রেরণ করা হয়।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: