প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

এম. সুরুজ্জামান

শেরপুর প্রতিনিধি

বাংলার মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই: হুইপ আতিক

   
প্রকাশিত: ১০:২১ অপরাহ্ণ, ২৬ অক্টোবর ২০২০

মহান জাতীয় সংসদের হুইপ ও শেরপুর-১ আসনের সাংসদ বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আতিউর রহমান আতিক এমপি বলেছেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গা পুজায় বাংলার মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই। আমাদের মাঝে কোন বিরোধ নাই। করোনার কারণে এবার তেমন উৎসব না হলেও, শান্তি শৃংখলার মধ্যেদিয়ে সুষ্ঠভাবে দুর্গাপুজা সমাপ্ত হয়েছে সকলের আন্তরিকতার কারণে। এবারই প্রথম পুজা মন্ডপে পুলিশ কিংবা আনসার বাহিনী ছিল না।

তিনি সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে শেরপুর শহরের প্রাণ কেন্দ্র গোপাল জিও মন্দির প্রাঙ্গনে আয়োজিত বিজয়া দশমীর সংক্ষিপ্ত বির্সজন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার, বিশ্বের সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক দেশ হলো আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। শেরপুরে শান্তিপুর্ণভাবে সমাপ্ত হলো হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গা উৎসব। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন কুমার পাল। সুষ্ঠ ও শান্তিপুর্ণভাবে দুর্গাপুজা সমাপ্ত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান তিনি।

পরে শেরপুর শহরের গোপাল জিও মন্দিরের সামনে জেলা প্রশাসকের বাসভবনের পাশের পুকুরে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরপুর জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট সুব্রত কুমার দে ভানু। সহ-সদস্য সচিব বিনয় কুমার সাহার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হাসান উৎপল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান, পরিষদের সদস্য সচিব ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক চন্দন কুমার সাহা, পৌর সভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আতিউর রহমান মিতুল, সিবিএ নেতা জাকির হোসেন বাবলু, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত, হুইপ কণ্যা ডাক্তার শারমিন রহমান অমি এবং সাদিয়া রহমান অপিসহ বিভিন্নস্তরের নেতৃবৃন্দ।

এবারের দুর্গা উৎসবে হুইপ আতিক তার ব্যক্তিগত তহবিল হতে সুন্দর প্রতিমা ও সাজ-সজ্জার জন্য পুরস্কার ঘোষানা করেছিলেন। এতে ১ম পুরস্কার ৬০ হাজার টাকা, ২য় পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা এবং ৩য় পুরস্কার ৪০ হাজার টাকা নির্ধারিত ছিল। অনুষ্ঠানে পুরস্কারের ফলাফল ঘোষনা করেন হুইপ আতিক নিজেই। সার্বিক বিবেচনায় তাতে প্রথম হয়েছে মাধবপুরের কৃষ্ণ সংঘ, দ্বিতীয় হয়েছে বটতলা ফ্রেন্ডস ক্লাব ও যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে বাগবাড়ি বয়েজ ক্লাব ও নয়আনী বাজারের শ্রীশ্রী ভবতারা কালী মন্দির।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: