প্রচ্ছদ / বাকৃবি / বিস্তারিত

শাহরিয়ার আমিন

বাকৃবি প্রতিনিধি

বাকৃবিতে মশার উপদ্রবে অতিষ্ট শিক্ষার্থীরা

   
প্রকাশিত: ৫:১৩ অপরাহ্ণ, ১০ মার্চ ২০২০

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) সম্প্রীতি মশার উপদ্রব বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যা নামতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে দেখা দেয় মশার উৎপাত। অতিরিক্ত মশার কামড়ে চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্কে রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে মশা নিধনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেই অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঋতু পরিবর্তনের কারণে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে মশার উপদ্রব। এছাড়াও নিয়মিত ঔষধ না ছিটানো, ঝোঁপঝাড় পরিষ্কার না করা ও যেখানে সেখানে ময়লা ফেলার কারণে অতিরিক্ত হারে মশার উপদ্রব বেড়েছে। ময়লার উপস্থিতি, হালকা বৃষ্টি ও তাপমাত্রার শিথিলতা মশার বংশ বিস্তারে উত্তম পরিবেশ তৈরি করেছে। বিশ^বিদ্যালয়ের নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে আশরাফুল হক হলের শিক্ষার্থী রাফি উল্লাহ জানান, অতিরিক্ত মশার উপস্থিতিতে রাতের বেলা কয়েল, মশা মারার স্প্রে, মশারি কিছু দিয়েই মশার কামড় থেকে রেহাই মিলছে না। দুপুরে বিশ্রামের জন্য বিছানায় গেলেও মশারি টানাতে হয়। এতে আবাসিক হলগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য প্রতিষেধক শাখার এডিশনাল চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শাহাদৎ হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে আমরা মশার লার্ভা নিধনের কাজ শুরু করেছি। মশা নিধনে যে ঔষধ ব্যবহার করা হচ্ছে তার কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে। এ কারণে পুরোপুরি মশা নিধন করা সম্ভব হচ্ছে না।

মশার উপদ্রব নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, সম্প্রীতি মশার প্রকোপ খুবই বেশি। ডেঙ্গুর বিষয়টা চিন্তা করে ইতোমধ্যেই আমরা হলগুলোতে ফগার মেশিন (মশার লার্ভা নিধনে ব্যবহৃত যন্ত্র) দিয়ে মশা নিধনের কাজ শুরু করেছি। আর পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে ফগার মেশিন দিয়ে মশক নিধনের পরিকল্পনাও করেছি।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: