প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

বাবাকে দেখতে যাওয়ার পথে না ফেরার দেশে একই পরিবারের ৭ জন

   
প্রকাশিত: ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ, ৭ জুলাই ২০২০

দিনাজপুরে যাত্রীবাহী বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় নিহতের সংখ্যা একজন বেড়ে ৭ জন হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ২টায় দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সাতোর ইউপির ২৫ মাইল নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এর আগে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ৬ জন নিহতের খবর পাওয়া যায়। এদের মধ্যে তিন বোন, বোনের স্বামী, মেয়ে, নাতনি ও ভ্যানচালক রয়েছেন।

নিহতরা হলেন- বীরগঞ্জ উপজেলার ভাবকী এলাকার ইদ্রিস আলীর স্ত্রী নাসরিন বেগম (৪৫) ও তার মেয়ে রুপা আক্তার (৮), তাদের নাতনি লামিয়া আক্তার (৭), কাহারোল উপজেলার দেবীপুর গ্রামের আবদুল গণির ছেলে আবুল হোসেন (৬০) ও তার স্ত্রী আসমা বেগম (৫০), একই এলাকার আতিয়ার রহমানের স্ত্রী নারগিস আক্তার (৩৫) ও ভ্যানচালক। স্থানীয় সূত্র জানায়, বড় বোন আসমা বেগমের বীরগঞ্জ উপজেলার ৮ নম্বর ভোগনগর ইউনিয়নের ভাবকী গ্রামের বাড়িতে মেয়ে রুপা ও ছোট বোন নার্গিস বেগমকে নিয়ে সোমবার সকালে একত্রিত হন মেজো বোন নাসরিন বেগম। সবার উদ্দেশ্য ছিল অসুস্থ বাবা আছিম উদ্দিনকে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর মোহাম্মপুর ইউনিয়নের রনপাড়ায় দেখতে যাবেন। দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষে ভগ্নিপতি আবুল হোসেন ব্যাটারিচালিত ভ্যান ভাড়া করে নিয়ে আসেন। ওই ভ্যানে আবুল হোসেন, স্ত্রী আসমা বেগম এবং নাতনি লামিয়া, আসমার বোন নাসরিন বেগম, তার মেয়ে রুপা ও বীরগঞ্জ উপজেলার ৫ নম্বর সুজালপুর ইউনিয়নের মুড়িয়ালা গ্রাম থেকে আসা ছোট শ্যালিকা নার্গিস বেগমকে নিয়ে রওনা দেন রনপাড়ায় অসুস্থ বাবাকে দেখার জন্য। দুপুর ২টার দিকে দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কের উপজেলার পঁচিশ মাইল এলাকায় বিআরটিসি বাস পেছন দিক থেকে ব্যাটারিচালিত ভ্যানটির ওপর উঠিয়ে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নাসরিন বেগম, তার মেয়ে রুপা ও নাতনি লামিয়া নিহত হন। বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেয়ার পর মারা যান আসমা বেগম ও ভ্যানচালক। দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের জরুরি বিভাগে বিকেল সাড়ে ৩টায় আবুল হোসেন ও নার্গিস বেগম মারা যান। তবে মৃত ভ্যানচালকের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: