প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

বিরল প্রজাতির তক্ষক যাচ্ছিল ঢাকায়, ধরা কর্ণফুলীতে

   
প্রকাশিত: ৮:২৫ অপরাহ্ণ, ২৪ নভেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

তক্ষক পাচারকারীরা বিশেষ প্রক্রিয়ায় রক্ষিত অবস্থায় বিরল প্রজাতির ২টি তক্ষক নিয়ে যাচ্ছিল ঢাকার সাভারে। যার ওজন অনুমান ১৫০ গ্রামের বেশি এবং লম্বা আনুমান ১৪ ইঞ্চি। বান্দরবান থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ সাভারে নিয়ে যাওয়ার পথে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে দুই পাচারকারীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার মইজ্জ্যেটেক চেকপোস্টে অভিযান চলাকালে ২টি বিরল প্রজাতির তক্ষকসহ কেরানীগঞ্জের মৃত সিরাজুল হকের পুত্র হাজি মো. মনিরুল হক (৬০) ও সাভারের আক্কাছ আলী মাস্টারের পুত্র দেলোয়ার হোসেন (৫০)-কে আটক করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কর্ণফুলী থানার ওসি দুলাল মাহমুদ।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালতে আটককৃত দুজনকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। বিকাল ৪টায় তক্ষক উদ্ধার নিয়ে কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত সাংবাদিকদের বলেন, মনিরুল ও দেলোয়ার নামের দুই ব্যক্তি বিশেষ প্রক্রিয়ায় ২টি তক্ষক নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিল। তল্লাশি করে তক্ষকসহ তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এসি মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত আরও বলেন, তক্ষক প্রতারণামূলক কাজের জন্যও নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করছি। এসব অসাধু ব্যক্তির জন্য দেশের জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে। প্রাণিগুলো রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

পটিয়া বন বিট কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, তক্ষকের দাম ও তক্ষক দিয়ে তৈরি ওষুধ নিয়ে ব্যাপক গুজব ছড়ানো হয়েছে। আর গুজবে বিশ্বাস করে এক শ্রেণির লোক রাতারাতি ধনী হবার স্বপ্নে তক্ষক শিকারে নেমেছে। তক্ষক গিরগিটি প্রজাতির নির্বিষ নিরীহ বন্যপ্রাণী। সাধারণত পুরাতন বাড়ির ইটের দেয়াল, ফাঁক-ফোকড় ও বয়স্ক গাছে এরা বাস করে। কীটপতঙ্গ, টিকটিকি, ছোট পাখি ও ছোট সাপের বাচ্চা খায়। আইইউসিএনের লাল তালিকা অনুযায়ী এটি বিপন্ন বন্যপ্রাণী। উদ্ধারকৃত তক্ষক পটিয়া শ্রীমাই রিজার্ভ ফরেস্টে অবমুক্ত করা হবে।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: