প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন!

   
প্রকাশিত: ১২:০০ পূর্বাহ্ণ, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: প্রতীকী

বিয়ের দাবিতে তিন দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেছেন মুক্তি রানী (২৩) নামে এক স্কুলশিক্ষিকা। কিন্তু প্রেমিকার এমন কর্মকাণ্ডে লোকলজ্জায় প্রেমিক নন্দরাজ বাড়ি ছেড়ে গাঢাকা দিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউপির শ্যামগঞ্জ গ্রামের শিক্ষক অনন্ত কুমার রায়ের ছেলে নন্দরাজ রায়ের সঙ্গে কয়েক বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে পার্শ্ববর্তী নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কেল্লাবাড়ি বাবুপাড়া গ্রামের এক শিক্ষিকার।

প্রেমের সম্পর্কের স্বীকৃতি দিতে তারা এক বছর আগে কোর্টে এফিডেফিটের মাধ্যমে বিয়ে করেন। হঠাৎ ৩ মাস ধরে প্রেমিক নন্দরাজ প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হলে শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি নন্দরাজের ঘরে গিয়ে উঠেন। নিজ বাড়িতে প্রেমিকা এসে অনশন করছেন খবর পেয়ে নন্দ গা-ঢাকা দেন।

নন্দরাজের বাবা অনন্ত রায় বলেন, ছেলে যা করবে তা মেনে নিতে হবে এটি সম্ভব নয়।

প্রেমিকা বলেন, আমরা কোর্টের মাধ্যমে বিয়ে করেছি। আমি স্ত্রীর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে এই বাড়িতেই থাকবো।

এ ব্যাপারে সয়ার ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য দেবেন চন্দ্র রায় বলেন, লোকমুখে শুনেছি এক শিক্ষিকা আমাদের এলাকার এক শিক্ষকের ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক করেছিলেন। ওই শিক্ষিকা বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে অবস্থান করছে। যেহেতু ছেলের বাবা শিক্ষক মানুষ, এছাড়া কেউ এ ব্যাপারে অভিযোগও দেয়নি তাই আমরা কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করিনি।

‘অভিযুক্ত’ নন্দরাজের মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, প্রেমিকা মুক্তি রানীকে কোর্টে নিয়ে বিয়ে করেছি এটা ঠিক। কিন্তু ওর সাথে কথা ছিল আগে নিজের পায়ে দাঁড়াই, পরে বাড়িতে নেব। কিন্তু মুক্তি এর আগেই বাড়িতে চলে আসবে ভাবতে পারিনি।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: