প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

ভারত-চীন সীমান্তে সমরসজ্জা বৃদ্ধি বেইজিংয়ের, সতর্ক নয়াদিল্লি

   
প্রকাশিত: ৫:৫৩ অপরাহ্ণ, ২৬ মে ২০২০

ভারত-চীন সীমান্তে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বেইজিংয়ের সমরসজ্জা বৃদ্ধি পেয়েছে। সীমান্তে চীনা বাহিনী এরই মধ্যে নতুন করে ১১৪টি বাঙ্কার নির্মাণ করেছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, চীন গালওয়ান অঞ্চল এবং প্যাংগং এলাকায় বাঙ্কার তৈরি করে বিতর্কিত এলাকায় ভারতীয় সেনা প্রবেশের পথ বন্ধ করছে। পিপলস লিবারেশন আর্মির অন্তত দু’টি নয়া বাহিনীকে পাঠানো হয়েছে সীমান্তে। চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে গালওয়ান এবং প্যাংগং সো অঞ্চলে সম্প্রতি নতুন করে এভাবে তাদের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। ভারতীয় সেনা প্রধান এম এম নারাভানে গত (শুক্রবার) গোপনে লেহ পরিদর্শন করে ফেরার পরেই ভারত আরও বেশি করে সেনা পাঠানো শুরু করেছে লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায়। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, লেহ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনকে ‘ফরওয়ার্ড অপারেশনাল অ্যালার্ট’ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, চীনের পক্ষ থেকে প্যাংগং সো হ্রদে গত একসপ্তাহে একঝাঁক অতিরিক্ত টহলদারি নৌকা পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় দিবারাত্র টহলদারি চলছে। গোটা পরিস্থিতির উপর নজরদারি করছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। লেহ থেকে সেনাপ্রধান ফেরার পরে গত (শনিবার) জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লাদাখের পরিস্থিতি সম্পর্কে গতকাল অবহিত করেছেন বলে জানা গেছে।

চীনের পক্ষ থেকে লাদাখের যে অংশগুলোকে নিজেদের এলাকা হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, ঠিক সেই ‘পেট্রলিং পয়েন্ট ১৪’ এবং গোর্গা পোস্টের অদূরেই চীন বাঙ্কার ও তাঁবু নির্মাণ করেছে। সূত্রের খবর, চীনা সেনা বা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) গালওয়ান উপত্যকায় গত দু’সপ্তাহে একশোটি তাঁবু খাটিয়েছে। ভারী যন্ত্র এনে পাকা বাঙ্কারও তৈরি করেছে। ওই খবর সাউথ ব্লকে আসার পরে ওই অঞ্চলে ভারতীয় সেনার সংখ্যাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উভয়পক্ষের ১ হাজার/১ হাজার ২০০ জওয়ান মোতায়েন রয়েছে।
এভাবে চলমান উত্তেজনা নিরসনে ভারত ও চীনের ব্রিগেড কমান্ডাররা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করছেন। একইসঙ্গে, কূটনৈতিক পর্যায়ে বিষয়টি সমাধানেরও চেষ্টা চলছে। উভয় দেশের জন্য গ্রহণযোগ্য যেকোনও সমাধান খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সূত্র : পার্সটুডে।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: