প্রচ্ছদ / মানবজমিন / বিস্তারিত

মুখ খোলেননি আকবর

   
প্রকাশিত: ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ, ১৮ নভেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

মুখ খোলেননি এস আই আকবর। ৭ দিনের রিমান্ড শেষে গতকাল দুপুরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত সংস্থা পিবিআই মঙ্গলবার আকবরের রিমান্ড শেষ হওয়ায় তাকে আদালতে হাজির করে। এ সময় তদন্তকারী কর্মকর্তা পুনরায় তার রিমান্ড না চাওয়ায় আকবরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন সিলেটের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল কাশেম। পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান জানিয়েছেন, আকবর হোসেন ভূঞাকে কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী ডোনা এলাকা থেকে জেলা পুলিশের একটি দল গ্রেপ্তার করে। ভারতে পালানোর সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ দাবি করে। এদিকে- আকবর কানাই ঘাটের ডোনা সীমান্তের ওপারে খাসিয়া পল্লীতে বসবাস করছিলেন। খাসিয়ারা কৌশলে তাকে বাংলাদেশে পাঠালে পুলিশ খবর পেয়ে গ্রেপ্তার করে।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তাকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির বরখাস্ত এসআই আকবর হোসেন ভূঞাকে আদালতে হাজির করা হলে সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সিলেট নগরীর আখালিয়া নিহারীপাড়ার বাসিন্দা রায়হানকে ১১ই অক্টোবর রাতে সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরের দিন ১১ই অক্টোবর তিনি মারা যান। এ ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলার পর মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে নির্যাতনের সত্যতা পায়। ১২ই অক্টোবর ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঞাসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। ১৩ই অক্টোবর আকবর পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে গা-ঢাকা দেন। অপরদিকে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় মামলাটির তদন্ত পিবিআইয়ের ওপর ন্যস্ত হলে ১৯শে অক্টোবর ফাঁড়ির সেন্ট্রি পোস্টে কর্তব্যরত তিন কনস্টেবল আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে রায়হানকে নির্যাতনের বর্ণনা ও নির্যাতনকারীদের নাম বলেন। রায়হানকে নির্যাতনের মূল হোতা ছিলেন এসআই আকবর। সূত্র: মানবজমিন।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: