প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

মেয়ের জন্য অসহায় বাবার আকুতি

   
প্রকাশিত: ১২:১৮ অপরাহ্ণ, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

মেয়ে অপহরণ হয়েছেন প্রায় দেড় মাস হতে চলল। কিন্তু আজও উদ্ধার হয়নি। মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন পরিবার ও স্বজনরা। মেয়ে বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন তা জানতে চেয়ে আকুতি জানিয়েছেন বাবা।

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার বহেরা এটিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী রাবেয়া খাতুন অপহরণের হলেও এখনও উদ্ধার হয়নি (১৭)। স্কুলছাত্রীর বাবা দেবহাটা উপজেলার শশাডাঙ্গা গ্রামের ফয়জুল্লাহ মোল্যা বলেন, পার্শ্ববর্তী গোবরাখালি এলাকার আসাদুর রহমানের ছেলে ধ’র্ষণ, ছিনতাই, অপহরণসহ একাধিক অপর্কমের হোতা আবু সুফিয়ান প্রায়ই আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতো। এক পর্যায়ে আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত না করার জন্য তার পরিবারকে জানানো হয়। কিন্ত তারপরও সুফিয়ান কথা শোনেনি বরং তার দুলাভাই ছত্রছায়ায় আরো হিংস্র হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, ‘উপায় না পেয়ে মেয়েকে বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দেই। গত ১৯ ডিসেম্বর আমার স্ত্রী ও মেয়ে সাতক্ষীরা সদরের দত্তবাগ এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায়। ৩ দিন পর গত ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া এলাকার হামিদ ঢালীর ছেলে সাইফুল ইসলাম, সাইফুল ইসলামের স্ত্রী শিল্পী দেবহাটা উপজেলার গোবরাখালি গ্রামের মৃত কফিল উদ্দীনের ছেলে আসাফুর রহমান ও একই এলাকার হায়দার আলীর ছেলে আবু জাহিদ দত্তবাগ এলাকা থেকে আমার মেয়েকে অপহরণ করে।’

তিনি জানান, বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে ওই ৪ জনের নাম উল্লেখ করে পহেলা জানুয়ারি সাতক্ষীরা থানায় একটি মামলা দায়ের করি। ওই মামলায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় মেয়েকে এখনও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। আমরা জানিনা আমাদে মেয়ে এখনও বেঁচে আছে নাকি মারা গেছে।

এ সময় তিনি আরো বলেন, সুফিয়ান র্ধ’ষণ মামলায় জেলে ছিল। জেল হতে সম্প্রতি জামিনে বেরিয়েছে সে। একই সাথে ওই মামলার আসামীরা উচ্চ আদালত হতে জামিনে রয়েছে। আসামীরা প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে। মামলা না তুলে নিলে মেয়েকে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

ওই মামলার ২ আসামি জামিনে থাকায় তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছি না উল্লেখ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর র্সাকেল) র্মিজা সালাউদ্দীন বলেন, ওই আসামিদের জামিন বাতিল হলে আমরা তাদেরকে আটক করলে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে। এছাড়া তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: