প্রচ্ছদ / যবিপ্রবি / বিস্তারিত

রাসেল আহমেদ

যবিপ্রবি প্রতিনিধি

যবিপ্রবিতেই হবে করানো রোগী শনাক্ত

   
প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহ্ণ, ৩০ মার্চ ২০২০

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) রোগী শনাক্ত করতে পারবে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অত্যাধুনিক গবেষণাগার জিনোম সেন্টার। শুধুমাত্র রোগীর নমুনা, কিট এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) দিলেই এ পরীক্ষা করা সম্ভব হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়।

জানা গেছে, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে করোনা ভাইরাস বহনকারী রোগী শনাক্তে যথেষ্ট জনবল রয়েছে। সরকারের সহায়তা পেলেই এখনই কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। এ বিষয়টি যশোরের জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। খুলনা বিভাগে করোনা পরীক্ষার যে সেন্টার করার কথা বলা হচ্ছে, সেটিও যবিপ্রবিতে স্থাপন করা সম্ভব। এ বিষয়ে সরেজমিনে দেখতে গত ২৫ মার্চ ২০২০ খ্রি. তারিখ সন্ধ্যায় একটি উচ্চ পর্যায়ের দল যবিপ্রবির জিনোম সেন্টার পরিদর্শন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাদের জানানো হয়, দেশে আমদানিকৃত কিট দিয়েই ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৩০ জনের পরীক্ষা সম্ভব। যবিপ্রবির উপাচার্য যেহেতু নিজেই একজন গবেষক, সুতরাং সরকার সিদ্ধান্ত নিলে তিনিসহ এ সেন্টারের সঙ্গে জড়িত সকল শিক্ষক ও গবেষক কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছেন। সরকারের তরফ থেকে কোনো বাড়তি জনবল সরবরাহের প্রয়োজন নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, রোগীর নমুনা, কিট এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) দিলে আমরা এটা পরীক্ষা করে ফলাফল প্রসেসিং করতে পারবো। অর্থাৎ এ পরীক্ষা করার জন্য যত রকম অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি প্রয়োজন সবই আমাদের আছে। আমি এ বিষয়টি যশোর জেলা প্রশাসক ও যশোরের সিভিল সার্জনকে জানিয়েছি এবং তাদের তিন সদস্যবিশিষ্ট দল আমাদের ল্যাব পর্যবেক্ষণ করেছে। আমাদের ল্যাব টেকনিশিয়ানদের সাথেও কথা বলেছি। এখন আমরা সরকারের সাড়ার অপেক্ষায় আছি। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের এই সংকটাপন্ন সময়ে সহযোগিতা করতে সব সময় প্রস্তুত।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক। ইতোমধ্যে তিনি গবাদিপশুর ক্ষুরা রোগের টিকাও আবিষ্কার করেছেন। বিভিন্ন রোগের ভাইরাস নিয়ে তাঁর কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যবিপ্রবিতে যে গবেষণাগার রয়েছে সেগুলো লেভেল-২ পর্যায়ের। কিন্তু এই গবেষণাগার যদি লেভেল-৩ পর্যায়ে উন্নীত করা যায়, তাহলে করোনা ভাইরাসের মতো সংক্রমক ব্যাধির ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতাও আমাদের তৈরি হবে।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: