প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

ফরমান শেখ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

যমুনায় ফের পানি বৃদ্ধি, নতুন করে বন্যার আশঙ্কা

   
প্রকাশিত: ১১:৪২ অপরাহ্ণ, ১৪ জুলাই ২০২০

টাঙ্গাইলে নতুন করে আবারও বাড়ছে পানি বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় বৃদ্ধি পেয়ে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী ৬৭ আর ঝিনাই ১৯ সে.মি. বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলায় বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে। জেলার ভূঞাপুর, টাঙ্গাইল সদর, গোপালপুর, কালিহাতী ও নাগরপুর উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

তীব্র স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। পানিবন্দি এসব এলাকার লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চলাচলে চরম সমস্যা পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এছাড়াও বন্যায় তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর জমির আউস ধান, পাট, তিল আর সবজি। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষ ভাঙনের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ৬৭ সেন্টিমিটার আর ঝিনাই ১৯ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা ত্রান ও পূর্নবাসন অফিস জানিয়েছে, ভুঞাপুর, কালিহাতী ও সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন এবং ভুঞাপুর পৌরসভার একাংশ ইতিমধ্যে বন্যা কবলিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানায়, জেলার ছয়টি উপজেলার ১৩৭টি গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে। এসব গ্রামের ২১ হাজার ১৭৮টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। বন্যাকবলিত গ্রামগুলোর বেশির ভাগই যমুনার চরাঞ্চলে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি জানান, মঙ্গলবার টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ৬৭ সেন্টিমিটার আর ঝিনাই ১৯ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: