প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

এম. সুরুজ্জামান

শেরপুর প্রতিনিধি

যাত্রীবাহী বাসে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব

   
প্রকাশিত: ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ, ৯ আগস্ট ২০২০

ছবি: প্রতিনিধি

শেরপুরে ঢাকা-শেরপুর যাত্রীবাহী বাসে ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় শুরু হয়েছে। ফলে মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব। একই সাথে যাত্রীদের কাছ থেকে সিট প্রতি ডবল ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। জানা গেছে, সরকারী বিধি নিষেধ থাকা সত্বেও ঈদের ছুটিতে অনেক মানুষ গ্রামের বাড়িতে এসে ঈদ করেছে। বর্তমানে তারা তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যেতে শুরু করেছে। এদিকে যাত্রী চাপ বাড়ায় জেলার সকল যাত্রীবাহী বাসগুলোতে উপচে পড়া ভীড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শহর এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ঢাকাগামী যাত্রীরা ছেড়ে যাওয়া দূরপাল্লার বিভিন্ন বাসে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি। একই সাথে প্রতি দুই সিটে একজন করে যাত্রী নেওয়ার কথা থাকলেও শেরপুর-ঢাকা ভাড়া ৩ শত থেকে ৫ শত টাকা নির্ধারণ করা হলেও প্রতি সিটেই ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৬ শত টাকা করে।

শুক্রবার রাতে শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজারস্থ শেরপুর-বগুড়া কাউন্টারের সামনে থেকে নারায়নগঞ্জগামী রকেট সার্ভিসের যাত্রী রহিম জানায়, প্রতি দুই সিটে ভাড়া ৫ টাকার স্থলে প্রতি এক সিটের জন্য টিকিট কাটা হয় ৬ শ ৫০ টাকা দিয়ে।

অপরদিকে মকবুল হোসেন বলেন, বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে বলা হলে কাউন্টার থেকে বলা হয়, গেলে যান না গেলে সড়ে যান। তাই বাধ্য হয়েই ৫ শত টাকার দুই সিটের বদলে ৬শত টাকায় এক সিটের টিকিট কাটতে হয়েছে আমাকে যথা সময়ে গন্তব্যে যেতে।

স্থানীয় রাজু নামে এক পরিবহন মালিক জানায়, সোনার বাংলাসহ অন্যান্য বাস যেভাবে যাত্রী নিচ্ছে আমরাও সেভাবে নিচ্ছি। নাম প্রকাশ না সর্তে এক ব্যক্তি বলেন, পাশাপাশি দুই সিটের ভাড়া নেওয়া হয়ে হয়। কিন্তু এক সিট খালি রাখার কথা থাকলেও দূরপাল্লার জেলাগুলোর বাসগুলো দুই সিটে বসিয়ে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছে। পুলিশের টহল দল থাকলেও তারা এবিষয়ে খেয়াল রাখছে না। তাদের সামনেই যাত্রীদের গাজাগাদি করে বাস ভরে নিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে পরিবহন মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সান্টু ঘোষ জানান, আমরা ভাড়া বেশি নিচ্ছি না। যাত্রী চাপ বাড়ার কারণে যাত্রীরাই জোড় করে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে প্রতি সিটে বসে যাচ্ছে। তবে ভাড়া বেশি না, সরকার নির্ধারিত ৫ শত টাকাই নেয়া হচ্ছে।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: