যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাও-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ’র খণ্ড-বিখণ্ড লাশ উদ্ধার

   
প্রকাশিত: ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ, ১৫ জুলাই ২০২০

রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফাহিম সালেহ যুক্তরাষ্ট্রে নিজের বাসায় খুন হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাটানের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পুলিশ তার খণ্ড-বিখণ্ড লাশ উদ্ধার করেছে। নিউ ইয়র্ক পুলিশ জানায়, বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে ফাহিমের গলা কাটা হয়েছে। তার শরীর কেটে কয়েক টুকরা করা হয়েছে।

ফাহিমকে সুপরিকল্পিতভাবে করাত দিয়ে টুকরা টুকরা করার পর খণ্ডিত অংশগুলো খুনি বা খুনিরা একটি থলিতে ভরার অপেক্ষায় ছিল মনে করছে পুলিশ। তারা অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশের সিটিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। ৩৩ বছর বয়সী ফাহিম করোনাভাইরাস মহামারীর পুরো সময় নিউইয়র্ক সিটিসংলগ্ন পোকিস্পিতে মা-বাবার সঙ্গে ছিলেন। তার বাবা সন্দ্বীপের হরিসপুরের সন্তান সালেহ আহমেদ আইবিএমের সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে নিউ ইয়র্ক পুলিশের মুখপাত্র সার্জেন্ট কার্লোস নিয়েভেস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ফাহিমের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা, বুক, দুই হাত ও দুই পা পেয়েছি কক্ষের ভেতরেই।’

ফুটেজে দেখা যায়, সোমবার বিকালে ফাহিম এলেভেটর দিয়ে ওই ভবনে ঢুকছেন। তার পেছনেই মাথায় টুপি, মুখে মাস্ক, হাতে গ্লভসসহ স্যুট পরা এক লোক একটি স্যুটকেস নিয়ে ঢুকছিলেন। ফাহিম তার বাসায় ঢোকার সময়ে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন; তাকে নিস্তেজ করা হয়ে থাকতে পারে বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের ধারণা। তা খণ্ডিত দেহ পাওয়া গেছে প্লাস্টিকের ব্যাগে; করাতে তেমন রক্ত দেখা যায়নি। এতে ঘাতক খুবই ধূর্ত বলে মনে করছেন তারা। ফাহিম নিউ ইয়র্কের একটি হাই স্কুলে পড়ার সময় ‘উইজ টিন’ নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে বেশ অর্থ আয় করে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিলেন। এরপর ম্যাসাচুয়েটস স্টেটের বেন্টলি ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার ইনফরমেশন সিস্টেমে স্নাতক করেন ফাহিম।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: