প্রচ্ছদ / অপরাধ / বিস্তারিত

যেভাবে ধরা পড়েন ডা. সাবরিনা

   
প্রকাশিত: ৯:০০ পূর্বাহ্ণ, ১৩ জুলাই ২০২০

জেকেজি হাসপাতাল কর্তৃক করোনার ভুয়া রিপোর্ট তৈরির ঘটনায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ডিএমপির তেজগাঁও উপ-কমিশনারের (ডিসি) কার্যালয়ে সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়। তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

জেকেজিতে চাকরি করতেন নার্স তানজিনা পাটোয়ারি ও তার স্বামী হুমায়ূন কবির। তানজিনার বেতন ছিল ৩০ হাজার টাকা। ভুয়া করোনা পরীক্ষা করে কোটি কোটি টাকা কামানো দেখে তানজিনা দাবি করেন তার বেতন বাড়িয়ে দিতে হবে। বিষয়টি জেকেজির সিইও আরিফ চৌধুরী তানজিনা ও তার স্বামীকে চাকরিচ্যুত করেন। পরে তারা দু’জন বাসায় বসে করোনার ভুয়া টেস্টের সনদ বাণিজ্য চালান। তানজিনা নমুনা সংগ্রহ করতেন আর ঘরে বসে তার স্বামী রিপোর্ট তৈরি করতেন।২৩ জুন রাতে তানজিনা পাটেয়ারি ও তার স্বামী গ্রেফতার হওয়ার পর বেরিয়ে আসে জেকেজির প্রতারণার রহস্য। তার পরদিন ২৪ জুন জেকেজির গুলশান অফিসে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় প্রতারক আরিফ চৌধুরীকে। গ্রেপ্তার হওয়া আরিফ চৌধুরীসহ ৬জনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। দু’জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এদিকে, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে ডা: সাবরিনা আরিফকে। গতকাল রোববার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ কথা জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে হৃদরোগ হাসপাতালের পরিচালক মীর জামাল উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ডা: সাবরিনার গ্রেফতারের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানাতে পেরেছিলাম। পরে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে বরখাস্তের জন্য বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদফতর মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করি। এরপরই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হলো তাকে হাসপাতাল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: