প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

লুঙ্গি পরে পালাতে চেয়েছিলেন মাসুম

   
প্রকাশিত: ৪:৫৬ অপরাহ্ণ, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের মামলার ৬ নম্বর আসামি মাহফুজুর রহমান মাসুমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১২টায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কানাইঘাট থানা পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, যে আত্মীয়ের বাড়িতে মাসুম আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেখান থেকে রাতের বেলা লুঙ্গি পরে পালাতে গিয়ে গোয়েন্দা জালে আটকা পড়েন তিনি। মাসুমের গ্রেফতারের খবর নিশ্চিত করেন কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা।

এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের স্মাতক (সম্মান) শ্রেণির চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাসুম। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তাকে সিলেট মহানগরের শাহপরান থানায় হস্তান্তর করার পর আদালতে হাজির করা হতে পারে বলে জানান শামসুদ্দোহা।

গ্রেফতার মাসুম এমসি কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী এবং ছাত্রাবাসে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত ছয় আসামির মধ্যে একমাত্র নিয়মিত শিক্ষার্থী। তার নামে ছাত্রাবাসে সিট বরাদ্দ ছিল। ধর্ষণকাণ্ডের পর তার সিটটি কলেজ কর্তৃপক্ষ বাতিল করেছে। সিলেটের সীমান্ত উপজেলা কানাইঘাটের দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের লামা-দলইকান্দি গ্রামে মাসুমের বাড়ি।

পুলিশ জানায়, পলাতক মাসুমকে গ্রেফতারে গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল তৎপর ছিল। গতকাল সোমবার তিনি ‘এলাকায় আছেন’ এমন খবরে কানাইঘাট, জকিগঞ্জ ও জৈন্তাপুর এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে গোয়েন্দা দল খবর পায় মাসুম হরিপুর এলাকায় আছেন। পরে সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি যে আত্মীয়ের বাড়িতে ছিলেন, সেখান থেকে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় পালাতে চেয়েছিলেন। গ্রেফতার এড়াতে এই বেশ ধরেছিলেন, তবে কোথায় যেতে চাচ্ছিলেন; এ বিষয়ে কিছু বলেননি মাসুম।

এমসি কলেজে ধর্ষণকাণ্ডে এখন পর্যন্ত সাতজন গ্রেফতার হলেন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামি এখন পুলিশের হাতে। পলাতক আছেন তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক।

 

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: