প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

এম. সুরুজ্জামান

শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ১০ চালকল কালো তালিকাভুক্ত

   
প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহ্ণ, ৩ জানুয়ারি ২০২০

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ১০ চালকল কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। গত বোরো মৌসুমে চুক্তি মোতাবেক খাদ্যগুদামে (এলএসডি) চাল সরবরাহ না করায় এ চালকলগুলো কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বোরো মৌসুমে এ উপজেলায় খাদ্যগুদামে নিম্নমানের চাল সংগ্রহের অভিযোগ ওঠে। পরে এ অভিযোগের পেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর তদন্ত কমিটি গঠন করে খাদ্য বিভাগ। ওই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন এবং ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত জেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভার সিদ্ধান্তে উপজেলার ১০ চালকল চলতি আমন মৌসুমে চাল সরবরাহ হতে বিরত রাখতে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। কালো তালিকাভুক্ত চালকল গুলো হলো মেসার্স বিউটি, আশরাফ, আল আমিন, হাসান, নুরজাহান, শহীদ, জায়েদা, রহিম, জাকির, আশরাফুল চালকল।

উপজেলা খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) আয়মন বিনতে ফেরদৌস নূপুর বলেন,‘আমি এ খাদ্যগুদামে গত ১০জুন যোগদান করি। যোগদান করে খাদ্যগুদামের তৎকালিন কর্মকর্তা (এলএসডি) বিকাশ চন্দ্র দেবনাথের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নিতে গিয়ে দেখি বোরো মৌসুমে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তাৎক্ষনিক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। কমিটির প্রতিবেদন দেখে জেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভায় ১০টি চালকল কালো তালিকাভুক্ত করা হয় এবং আমি ৯ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব বুঝে নেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ গুদামে একটি ব্যবসায়ী চক্র এখানে দীর্ঘ দিন ধরে নিম্নমানের চাল সরবরাহ করে আসছে। ওই চক্রটি বোরো মৌসুমের শেষ দিকে আমাকে নিম্নমানের চাল গ্রহণে চাপ দিয়ে ব্যর্থ হয়ে আমাকে বদলি করার হুমকি দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেওয়া শুরু করেছে।’ ঝিনাইগাতী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খোরশেদুজ্জামান বলেন, ‘আমি নতুন যোগদান করেছি। এ উপজেলার ৫৬টি চালকলের মধ্যে ৪৬টি চালকল মালিকের সঙ্গে চলতি আমন মৌসুমে ৭৮৪ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে খাদ্য বিভাগ।’

এসএ/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: