প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

এম. সুরুজ্জামান

শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরে দুই করোনা রোগী শনাক্ত, জেলা জুড়ে আতঙ্ক

   
প্রকাশিত: ১০:৫৭ অপরাহ্ণ, ৫ এপ্রিল ২০২০

শেরপুর হাসপাতালের এক নারী স্টাফসহ প্রথমবারের মতো দুই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়া (৫০) ও স্থানীয় সাতানি শ্রীবরদী এলাকার বাসিন্দা। অন্যজন সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের ছনকান্দা এলাকার গৃহবধূ (৪০)। রবিবার (৫ এপ্রিল) রাত সোয়া ৮টার দিকে সিভিল সার্জন ডাঃ একেএম আনওয়ারুর রউফ ওই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এই ঘটনায় ৮ সদস্যের হাসপাতালের নারী স্টাফের বাড়ি ও ১১ সদস্যের ওই গৃহবধূর বাড়িসহ আশে পাশের অন্ততঃ ২০ বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। আর উভয়ের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের রাখা হয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে। এদিকে নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার খবরে ওই দুই মহিলার স্ব-স্ব এলাকাসহ খোদ জেলা শহরে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডাঃ একেএম আনওয়ারুর রউফ ওই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ করোনা উপসর্গের কারণে শনিবার সদর উপজেলার ওই গৃহবধূ এবং শ্রীবরদী উপজেলার ওই হাসপাতাল স্টাফসহ ৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে পাঠানো হয়। রবিবার রাত ৮টার দিকে তাদের পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে ওই দুই জনের ফলাফল পজেটিভ আসে। এর ফলে হাসপাতালের ওই নারী স্টাফকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ও সদর উপজেলার ওই গৃহবধূকে জেলা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হচ্ছে। আর উভয়ের বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের আপাতত রাখা হয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে। প্রয়োজনে পরীক্ষার জন্য তাদেরও নমুনা সংগ্রহ করা হবে।

এদিকে বরাদ্দের পরও রবিবার পর্যন্ত শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সদের পিপিই (পারসোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট) দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। আর ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেরই একজন স্টাফ করোনাতে আক্রান্ত হওয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছেন হাসপাতালে দায়িত্বরত প্রায় ২৮ জন চিকিৎসক-নার্স ও অন্যান্য স্টাফ। এ বিষয়ে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ আনোয়ার হোসেনের সাথে মোবাইলে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য জানা যায়নি। তবে ওই বিষয়ে সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পিপিই আরও আগেই সরবরাহ করা হয়েছে।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: