প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

এম. সুরুজ্জামান

শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পুলিশের গোলবৃত্ত

   
প্রকাশিত: ১১:৪৭ অপরাহ্ণ, ২৭ মার্চ ২০২০

করোনার সংক্রমণরোধে শেরপুরেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বের হওয়া নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে। শেরপুরে অঘোষিত এই লকডাউনের মধ্যেও জরুরি কাজে বা কেনাকাটার ক্ষেত্রে ন্যূনতম দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন জেলা পুলিশ।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে শুরু হয়েছে ১০ দিনের সাধারণ ছুটি। গ্রামে কিছু লোকজনের দেখা মিললেও শহরের সর্বত্রই বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। যদিও জীবন থেমে থাকে না। অনেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিংবা ওষুধ কিনতে যাচ্ছেন নিকটস্থ দোকান বা ফার্মেসিতে। সংক্রামক এই রোগ থেকে মুক্ত থাকতে রাস্তায় নেমে বিশেষজ্ঞ অনুমোদিত ন্যূনতম দূরত্ববজায় রাখতে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে জেলা পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকালে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে শহরের থানামোড় ও কলেজ মোড়সহ জেলা শহরের বেশকিছু ফার্মেসি সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দোকানে বৃত্ত এঁকে দিয়ে জনসাধারণকে ন্যূনতম দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান করছেন পুলিশ । করোনাভাইরাস যেহেতু একটি সংক্রামক রোগ। তাই জনসাধরণকে বিশেষজ্ঞ অনুমোদিত ন্যূনতম দূরত্ব বজায় রাখতে হবে বলে মাইকে প্রচারণা করছেন জেলা পুলিশ।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীমের নির্দেশে আমরা করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে জনসাধারণকে বোঝানোর চেষ্টা করছি কিভাবে ন্যূনতম দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। যাতে তিনি, তার পরিবার, আমি-আমরা সকলে নিরাপদ থাকতে পারি।

এ ব্যাপারে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম জানান, শেরপুরের বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দোকানে বিশেষজ্ঞদের দেয়া পরামর্শ অনুযায়ী ন্যূনতম বাধ্যতামূলক সামাজিক দূরত্ব নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সম্মানিত ক্রেতাগণ স্বচ্ছন্দে নির্দিষ্ট দূরত্বে চিহ্নিত স্থানে অবস্থান করে ওষুধ সহ নিত্যপ্রয়োজনী পণ্য কিনছেন। এতে করে সংক্রমণ ঠেকানো সম্ভব।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: