সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বাড়ছে চালের দাম

   
প্রকাশিত: ৫:৩৪ অপরাহ্ণ, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

অস্থির হয়ে ওঠেছে চালের বাজার। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। অভিযোগ ওঠেছে, মিল মালিকদের কারসাজিতে চালের দাম বাড়ছে। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বাড়ছে চালের দাম। দেশের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য। নওগাঁও সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে চালের দাম। দিনাজপুরে চালের দাম বস্তায় বেড়েছে দেড়শ থেকে দুইশ টাকা। খুচরা বাজারে কেজিতে বেড়েছে তিন থেকে চার টাকা।

ধান-চালের বড় মোকাম নওগাঁয় বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকার ভেদে প্রতি কেজি চালের দাম বেড়েছে ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পাইজাম ৪৪ টাকা, খাট-১০ এর দাম ৪২ টাকা, আঠাশ ও পাড়িজা ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা, জিরা, মিনিকেট ও নাজির শাইল ৫০ থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। যৌক্তিক কারণ নেই, তবুও কেন বাড়ছে চালের দাম? চাল বিক্রেতারা দায়ী করছেন মিল মালিকদের। সরকারের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বলতাকে দায়ী করছেন ক্রেতারা। খুচড়া চাল বিক্রেতা্রা জানায়, মিল মালকরা রাতারাতি বস্তায় এক থেকে দুইশ টাকা বাড়িয়ে দেয়। আমরা কিনতে গেলেও চাল পাচ্ছি না। তারা বলছে আমদানি কম,ফদাম বেশি। তবে মিলারদের দাবি, স্থানীয় হাটে ধানের দাম বাড়ায় চালের দর কিছুটা বেড়েছে। মোকামে চালের দাম ১ টাকা বাড়লে খুচড়া বাজারে ৪–৫ টাকা বাড়ে বলেও দাবি তাদের।

নওগাঁ জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সাবেক সভাপতি তৌফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, অনেক সময় বিক্রেতারা বলে যে মিলাররা দাম বাড়ায়, সিন্ডিকেট করে চাল মজুত করে আসলে এগুলো বাস্তব নয়। দেখা যায় আমরা যদি এক থেকে দেড় টাকা বাড়াই তারা তিন থেকে চারটা বাড়িয়ে দেয়। এদিকে দিনাজপুরে বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। প্রতি বস্তা চালের দাম বেড়েছে দেড়শ থেকে দুইশ টাকা। খুচরা বাজারে কেজিতে বেড়েছে তিন থেকে চার টাকা। গত মার্চেও দু’দফায় চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা বাড়ানো হয়। তার ওপর ফের দাম বাড়ানোয় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: