প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

সাড়ে ৪ মাস ধরে আটকে রেখে ধর্ষণ, নরপশুর হাত থেকে মুক্তি পেল স্কুলছাত্রী

   
প্রকাশিত: ৪:০৩ অপরাহ্ণ, ১১ আগস্ট ২০২০

রেজাউল করিম (৪৮)

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় অপহরণের পর সাড়ে চার মাস জিম্মি রেখে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামির নাম রেজাউল করিম (৪৮)। সে উপজেলার শেহলিয়াবাড়ি গ্রামের রহিম বক্সের ছেলে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ধুনট থানা থেকে আদালতের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে সোমবার (১০ আগস্ট) মধ্যরাতে গাজিপুরের কালিয়াকৌর উপজেলার রুপনগর এলাকার একটি বাসা থেকে রেজাউল করিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার জিম্মিদশা থেকে অপহরণের পর ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে উদ্ধারকৃত স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, অপহরহণের পর ধর্ষণের শিকার মেয়েটি উপজেলার বিশ্বহরিগাছা গ্রামের বাসিন্দা। মেয়েটি স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবছর এসএসসি পাস করেছে। দুই সস্তানের জনক রেজাউল করমি বিশ্বহরিগাছা গ্রামে তার বন্ধু সুজন মিয়ার মাধ্যমে স্কুলছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিন্ত রেজাউল করিমের প্রেমে সাড়া দেয়নি স্কুলছাত্রী।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ২৬ মার্চ বিকেলের দিকে মেয়েটির বাড়ির পাশের রাস্তা থেকে রেজাউল করিম তার বন্ধু সুজনের সহযোগিতায় মেয়েটিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে অপহণ করে। এরপর মেয়েটিকে নিয়ে গাজিপুরের কালিয়াকৌর উপজেলার রুপনগর এলাকায় একটি ভাড়াবাসায় স্কুলছাত্রীকে জিম্মি রেখে ধর্ষণ করে রেজাউল করিম। এঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ২৭ মার্চ ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় রেজাউল কমির ও তার সহযোগী সুজন মিয়াকে আসামি করা হয়েছে।

ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধারকৃত ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য বগুড়া আদালতে এবং মামলার প্রধান আসামি রেজাউল করিমকে কারাগারে পাঠনো হয়েছে।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: