প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

সুবর্ণচরে পাঁচ টুকরো লাশ: আরও দুইজন গ্রেফতার

   
প্রকাশিত: ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ, ২৪ অক্টোবর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামে নূরজাহান নামে এক নারীকে পাঁচ টুকরো করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরও দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়ন থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- মামলার ৬ নম্বর আসামি চরজব্বার ইউনিয়নের জাহাজমারা এলাকার মৃত মমিন উল্লাহর ছেলে মো. ইসমাইল (৩৫) ও ৭ নম্বর আসামি একই এলাকার মারফত উল্লাহর ছেলে মো. হামিদ (৩৪)।

এ নিয়ে নূরজাহান হত্যা মামলার সাত আসামিকে গ্রেফতার করা হলো। যার মধ্যে নিহতের ছেলে হুমায়ুনসহ চারজন হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার বিকেলে গ্রেফতার হামিদ ও ইসমাইলকে পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারিক হাকিম এসএম মোসলেহ উদ্দিন মিজানের আদালতে হাজির করা হয়। আদালত আগামী রোববার (২৫ অক্টোবর) রিমান্ড শুনানির আদেশ দিয়ে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ৭ অক্টোবর ছেলে হুমায়ুন কবিরসহ তার আরও ছয় সহযোগী মা নুরজাহান বেগমকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাঁচ টুকরো করে পাওনাদারদের ধানক্ষেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখে। এ ঘটনায় প্রথমে নিহতের ছেলে হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে সুবর্ণচর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত ) ইব্রাহিম খলিল তদন্তে নামলে হত্যার সঙ্গে সরাসরি ছেলে হুমায়ুনের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। পরে পুলিশ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট্র আদালতে ঘাতক হুমায়ুন কবির ও তার মামাতো বোনের স্বামী সুমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন আদালত মামলার এজাহারভুক্ত চার নম্বর আসামি কালাম ওরফে মামুনের রিমান্ড শুনানির জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এর আগে এই মামলার অপর দুই আসামি নিরব ও কসাই নুর ইসলাম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: