স্বর্ণের মাস্ক পরেন তিনি!

   
প্রকাশিত: ১১:০৬ অপরাহ্ণ, ৫ জুলাই ২০২০

করোনার মহামারিতে পৃথিবীজুড়ে অনেকেই ব্যবহার করছেন একবার ব্যবহার করার মতো মাস্ক। কাজ শেষ হলেই তা ফেলেও দিচ্ছেন। এই কথা অবশ্য, ভারতের পুনে শহরের পিমপ্রি ছিনছড় মহল্লার বাসিন্দা শঙ্কর কুরাদে সাহেবকে বলতে পারবেন না। অবশ্য বলার সুযোগ পেলেও লাভ হবে না। উল্টো তাকে দেখেই ভিমড়ি খেতে পারেন। কথায় আছে শখের দাম লাখ টাকা। আর শ্রী শঙ্কর মহাশয়ের স্বর্ণের তৈরি মাস্কের মূল্য পাক্কা দুই লাখ ৮৯ হাজার রুপি। করোনার মহামারির মধ্যে যখন সাড়া ভারতে বেকারত্ব বাড়ছে, নাভিশ্বাস উঠেছে অর্থনীতির, ঠিক তার মাঝেই মাস্কটি বানিয়েছেন তিনি। তাহলে কি স্বর্ণের তৈরি মাস্ক পড়লে কোভিড-১৯ থেকে বেশি সুরক্ষিত থাকা যাবে; এমন বিশ্বাসে তিনি এটি পড়ছেন। ব্যাপারটা মোটেও তেমন নয়।

এব্যাপারে তার সোজা কথা, দেখুন ভাই, মাস্কে ছোট ছোট কিছু ছিদ্র আছে। তাই এটা পড়ে শ্বাস নিতে কোনো কষ্ট হয় না। কিন্তু এটা (করোনা প্রতিরোধে) আদতেই কার্যকর হবে কিনা তা আমার জানা নেই!

শ্রী শঙ্কর কুরাদে মহাশয় স্বর্ণের গহনার ভীষণ ভক্ত। তাই সব সময় তার হাত আর গলায় শোভা পায় বহুমূল্য সব স্বর্ণালঙ্কার। তবে স্বর্ণের মাস্কের আইডিয়া অবশ্য তার নিজের নয়। সামাজিক গণমাধ্যমে তার চাইতে একটু কম সরেস এক ব্যক্তিকে পেয়েছিলেন সম্প্রতি। যিনি পড়েছিলেন রুপোর মাস্ক। ব্যস, তারপর আরকি? দেখাদেখি বানিয়ে নিলেন স্বর্ণের তৈরি মাস্ক।

শঙ্কর বলেন, ”সামাজিক গণমাধ্যমের এক ভিডিওতে কোলাপুর অঞ্চলের এক ব্যক্তির রুপোর মাস্ক পড়া ভিডিও দেখেছিলাম। তখনই মাথায় স্বর্ণের তৈরির মাস্ক বানানোর আইডিয়াটা এল। এরপর কথা বললাম এক স্বর্ণকারের সঙ্গে। সেই আমাকে সাড়ে পাঁচ পাউন্ড ওজনের এই মাস্কখানা বানিয়ে দিয়েছে এক সপ্তাহের মধ্যে।

তিনি আরও জানান, ”আমার পরিবারের সকলেই স্বর্ণালঙ্কার পছন্দ করে। তাদের সকলেই যদি এখন এমন মাস্ক চায়; তাহলে তো আমাকে বাধ্য হয়েই অর্ডার করতে হবে। স্বর্ণের মাস্ক পড়ে আমি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হব কিনা তা জানিনা। তবে এটা মানি সকলে সরকারি নির্দেশনা মেনে চললে ভাইরাসের বিস্তার বন্ধ হতে পারে।”

ছোটবেলা থেকেই বহুমূল্য ধাতুটির গহনার শখ শঙ্কর কুরাদের। তাইতো তার সব হাতের আঙ্গুলেই আছে স্বর্ণের আঙটি। কব্জিতে ব্রেসলেট আর গলায় বিশাল এক স্বর্ণের চেইন।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: