প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর, হাজী সেলিমের ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

   
প্রকাশিত: ১১:২২ পূর্বাহ্ণ, ২৬ অক্টোবর ২০২০

নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ এরফান সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে মামলাটি এন্ট্রি করা হয়।

এর আগে, রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর ধানমন্ডিতে কলাবাগান ক্রসিংয়ের কাছে ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে মারধর করা হয়েছিল। ঘটনার পর পর গাড়িটি ফেলে এর নম্বরপ্লেট ভেঙে চলে যান হাজী সেলিমের ছেলে ও তার বডিগার্ডরা। গাড়ির নম্বর– ঢাকা মেট্টো- ঘ ১১-৫৭৩৬।

পুলিশ জানায়, নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়েছিল ‘সংসদ সদস্য’ স্টিকার লাগানো হাজী সেলিমের গাড়ি। এরপর নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা মোটরসাইকেল থামান এবং নিজের পরিচয় দেন। এসময় হাজী সেলিমের গাড়ী থেকে দুই জন ব্যক্তি নেমে এসে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে মারধর করে। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন।

পুলিশ সূত্র মতে, ঘটনার সময় সাংসদ হাজী সেলিম গাড়িতে ছিলেন না। তাঁর ছেলে ও নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন।

মারধরের কারণে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিম বেশ আহত হন। সাথে থাকা তার স্ত্রীর গায়েও হাত দেয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। ওয়াসিম তার স্ত্রীর বই কিনে মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন। গাড়ীতে হাজী সেলিমের ছেলে ও তার নিরাপত্তাকর্মীসহ কয়েকজন ছিলেন বলে জানা যায়।

এ ঘটনায় একজন প্রত্যক্ষদর্শীর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া যায়। সেখানে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমের মুখে রক্ত ও আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। ভিডিওটিতে দেখা ও ধানমন্ডি থানার সামনে থাকা জব্দকৃত হাজী সেলিমের গাড়ির নম্বর ছিল ঢাকা মেট্টো– ঘ ১১-৫৭৩৬। গাড়ী চালককেও থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সংসদ সদস্য হাজী সেলিম ওই সময় গাড়ীতে ছিলেন না। বেশ কয়েক বছর ধরে গলায় সমস্যা থাকার কারণে তার কথা বলতে সমস্যা হয়।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: