প্রচ্ছদ / স্পোর্টস / বিস্তারিত

রেদওয়ান শাওন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

জিম্বাবুয়ে টেস্ট

হ-য-ব-র-ল বিসিবি!

   
প্রকাশিত: ৮:৪১ পূর্বাহ্ণ, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন গত বছর মার্চে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েলিংটনের মাটিতে। ভারতের বিপক্ষে স্কোয়াডে থাকলেও সাদা পোষাকে কোনো ম্যাচ খেলা হয়নি। এবং সর্বশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিণ্ডি টেস্টের স্কোয়াড থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। বাজে পারফর্মেন্সের কারণে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েছিলেন তিনি। সেবার টাইগার কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানান, টেস্ট খেলতে হলে দ্য ফিজকে কিছু টেকনিক্যাল উন্নতি করতে হবে। কিন্তু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক মাত্র টেস্টের প্রাথমিক স্কোয়াডে ফেরানো হয়েছে তাঁকে। আর এ নিয়ে শুরু হয়েছে দল নির্বাচন নিয়ে তুমুল সমালোচনা।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঘোষণা করা ১৬ সদস্যের দলে এসেছে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন। যার অন্যতম হলো, মাহমুদুল্লাহকে দল থেকে বাদ দেয়া, তাসকিনের দলে ফেরা, হুট করে মুস্তাফিজের দলে ফেরা। মুস্তাফিজের অন্তর্ভূক্তি প্রসঙ্গে নান্নু বলেছেন, ‘ওদের একটা আইডিয়া ম্যানেজমেন্ট অবশ্যই আমাদের দেবে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে সে খুব একটা ম্যাচ দেখেনি। মুস্তাফিজের পরপর দুটো বিসিএল ম্যাচ দেখেছি এবং সে আগের মতই বল করেছে।’ চলতি বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) আসরে এখন পর্যন্ত তিন রাউন্ড খেলেছেন মুস্তাফিজ। তাঁর দখলে রয়েছে ৭টি উইকেট। মূলত এমন পারফরম্যান্সই তাঁর জাতীয় দলের দরজা খুলে দিয়েছেন। গত ২ বছরে ৮ টেস্টে মুস্তাফিজ মাত্র ৮ উইকেট পেয়েছেন। রান দিয়েছেন বিপুল। এবার তাই রাসেল ডমিঙ্গো শর্ত দিয়েছিলেন যে, ডানহাতি ব্যাটসম্যানের জন্য বল ভেতরে ঢোকানো ও বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের জন্য বল বের করা শিখতে হবে ২৪ বছর বয়সী মুস্তাফিজকে। এরপর বিসিএলে এক ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে নির্বাচকদের দৃষ্টি কাড়েন তিনি। মিনহাজুল আরও বলেন, ‘তিনি (রাসেল ডমিঙ্গো) খুব একটা ঘরোয়া ম্যাচ দেখেননি। মুস্তাফিজের পরপর দুটো বিসিএল ম্যাচ দেখেছি এবং সে আগের মতোই বল করেছে।’

কিন্তু ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা ভাবছেন, যে মুস্তাফিজ এক ম্যাচ (টেস্ট) আগে খেলার জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত ছিল না, সে মুস্তাফিজ এক ম্যাচ পর কিভাবে খেলার প্রস্তুত হয়ে যায়? আবার, যেখানে ২ বছর পর টেস্টে রুবেলকে পাকিস্তান সফরে টেস্ট দলে ফেরানো হয়েছিল, সেখানে এক ম্যাচ পরই কিসের ভিত্তিতে তাকে জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে বসানো হলো? এবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলের ১৬ জনের স্কোয়াডে রয়েছে ৫ জন পেসার। যেখানে নতুন ডাক পেয়েছে হাসান মাহমুদ। আর অনেকদিন পর জাতীয় দলের স্কোয়াডে ফিরেছে তাসকিন। প্রশ্ন উঠেছে, যদি এসব খেলোয়াড়কে শুধু স্কোয়াডে রাখা হয়, কিন্তু ম্যাচ খেলানো না হয়, তাহলে কি কারণে তাদেরকে অনেকদিন পর দলে ফেরানো হচ্ছে? প্রধান নির্বাচক নান্নু বলেছেন, যারা খেলবেন না, তারা স্কোয়াডের সাথে থেকে শিখবেন। প্রশ্ন হলো, তাসকিন জাতীয় দলের ক্যাম্প করে এখনও কি শিখবেন? তিনি কি যথেষ্ট অভিজ্ঞ নন?

বাংলাদেশ দল:
মুমিনুল হক (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, লিটন কুমার দাস, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ রাহী, নাঈম হাসান, এবাদত হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, ইয়াসির রাব্বি।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: