প্রচ্ছদ / বিনোদন / বিস্তারিত

২ বছরও টেকেনি এই ৬ অভিনেত্রীর সংসার!

   
প্রকাশিত: ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ, ২ জুলাই ২০১৯

রূপালী পর্দার অধরা স্বপ্নকন্যারা বাঁধা পরবেন নায়ক কিংবা চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট মানুষের সাতপাঁকে- এটাই যেন স্বাভাবিক। তবে অনেক নায়িকাই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন সফল ব্যবসায়ী, যারা চলচ্চিত্রের সঙ্গে নয়- বিখ্যাত আয়কৃত টাকার অংকে। সাফল্যের শিখরে পৌঁছলেও ব্যক্তিজীবনে সংসার নিয়ে হোঁচট খাওয়ার সংখ্যাও কম নয় তাদের। আর এ কারণে ওই তারকাদের বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়েছে বারবার। পাঠকদের জন্য আজ থাকছে এমন কিছু অভিনেত্রীদের বিয়ের খবর, যা হয়তো অনেকের অজানা। আবার অনেকে জানলেও পুরোপুরি জানেন না।

নেপালি ব্যবসায়ী সম্রাট দহলকে বিয়ে করেছিলেন মনীষা। ২০১২ সালে মাত্র দু’বছরের মধ্যেই ডিভোর্স হয়ে যায় মনীষা আর সম্রাটের। এমনকি ফেসবুকে মনীষা লেখেন, ‘আমার স্বামীর থেকে বড় শত্রু আর আমার কেউ নেই।’

বিয়ের কথা কখনও জনসমক্ষে আনেননি মল্লিকা শেরাওয়াত। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার আগেই ২০০০ সালে বিমানচালক কর্ণ সিংহ গিলকে বিয়ে করেছিলেন মল্লিকা। সিনেমায় নিজের কেরিয়ার গড়বেন বলে পরিবারকে সময় দিতে পারবেন না। এই কারণ দেখিয়ে বিয়ের এক বছরের মধ্যেই কর্ণের সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায় মল্লিকার।

বিয়ের এক বছরের মাথায় শ্রদ্ধা নিগমের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যায় কর্ণ সিংহ গ্রোভারের। তার পরে কর্ণ বিয়ে করেন জেনিফার উইঞ্জেটকে। কিন্তু জেনিফারের সঙ্গেও দু’বছর পরে ডিভোর্স হয়ে যায় কর্ণের। পরে বিপাশা বসুকে বিয়ে করেন কর্ণ।

শ্বেতা রোহিরা নামের একজনকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা পুলকিত সম্রাট। কিন্তু সে বিয়ে টেকেনি বেশিদিন। এক বছরের মাথায় ডিভোর্স হয়ে যায় দু’জনের। আর তার পরেই রটনা রটে ইয়ামি গৌতমের সঙ্গে ডেট করছেন পুলকিত।

বিগ বস হাউসের ভিতরেই টেলি তারকা সারা খান আর আলি মার্চেন্ট বিয়ে করেছিলেন। মাত্র দু’মাস টিকেছিল সেই বিয়ে। আর আলি বলেছিলেন, ‘এটা আমার জীবনের একটা ভুল পদক্ষেপ।’

অমিতাভ আর রেখার সম্পর্কের কথা বলিউডে কান পাতলেই শোনা যায়। তবে মুকেশ অগ্রবাল নামে দিল্লির এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিয়ে করেন রেখা। কিন্তু সে বিয়ে টেকেনি বেশিদিন। বিয়ের এক বছরের মাথায় আত্মঘাতী হন মুকেশ।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: