প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

আরমান হোসেন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

৩ হাজার ৬১৪ একর রেলের জমি বেদখলে

   
প্রকাশিত: ৯:১২ অপরাহ্ণ, ১৪ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: ফাইল ফটো

রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বাংলাদেশ রেলের বর্তমানে ভূমির পরিমাণ ৬১ হাজার ৮২০দশমিক ৩৫ একর। এসব ভূমির মধ্যে রেলের দখলে রয়েছে ৫৮ হাজার ৬০৬ দশমিক ৫৭ একর অর্থাৎ প্রায় ৩ হাজার ৬১৪ একর জমি বেদখলে রয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে মো. মোজাফফর হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি। সংসদে রেলপথ মন্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় তার পক্ষে কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক সংসদে ওই তথ্য জানান।

রেলমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে রেলের জমি লীজ দেয়া হলেও সেগুলো বেদখল হয়নি। তবে, কিছু কিছু জমির শ্রেণি পরিবর্তন হয়নি। ২০০৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এ খাত থেকে রেলের আয় হয়েছে ৪৫৯ কোটি ৩৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯০ টাকা। আদায় করা টাকার বাইরে লিজ গ্রহিতাদের কাছে এখনো সংস্থাটির পাওয়া রয়েছে ১২৪ কোটি ৪৩ লাখ ৬৯ হাজার ১৯৬ টাকা। যথাসময়ে লাইসেন্স ফি পরিশোধ না করায় বকেয়া রয়েছে। খেলাপী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সরকারি পাওনা আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলা দায়ের সাপেক্ষে আদায়ের পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।

বিএনপির সংরক্ষিত এমপি রুমিন ফারহানার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদেশী দাতা সংস্থাদের প্রেসক্রিপশান অনুযায়ী বিএনপি-জামায়াত (২০০১-০৬) জোট সরকার রেল বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সরকারের পট পরিবর্তনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে রেলকে রক্ষা করে। বর্তমানে এর ক্ষেত্র বেড়েছে। তবে, লাভ-অলাভজনক বিবেচনায় এটি আকর্ষিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে বেসরকারিখাতে ছেড়ে দেয়া সঠিক হবে না।

বিএনপির হারুনুর রশীদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রীর পক্ষে কৃষিমন্ত্রী আবদুল রাজ্জাক বলেন, রেলের অপতিত জমিগুলোকে খাসখতিয়ানে এনে সেখানে সরকারি প্রতিষ্ঠান করার জন্য বিশেষভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। বিএনপির এমপির এ ধরণের প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ জানান প্রশ্নের উত্তরকারী।

এসএ/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: