প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

ওবায়দুল হক চৌধুরী

বিশেষ প্রতিনিধি

সিনহা হত্যাকাণ্ড

৪ পুলিশ সদস্য ও ৩ সাক্ষী র‌্যাবের রিমান্ডে

   
প্রকাশিত: ১২:৫৬ অপরাহ্ণ, ১৪ আগস্ট ২০২০

ছবি: প্রতিনিধি

সিনহা মো. রাশেদ হত্যা মামলায় চার পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাত আসামিকে কক্সবাজার র‍্যাব কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেয়া হচ্ছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে জেলা কারাগার থেকে এই সাতজনকে র‌্যাবের হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে গত বুধবার (১২ আগস্ট) জেলা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাদের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরমধ্যে পুলিশের মামলার আলোচিত তিন সাক্ষী নুরুল আমীন, নিজাম উদ্দিন, মো. আইয়াছ ছাড়াও রিমান্ডে নেয়া হবে এএসআই লিটনসহ চার পুলিশ সদস্যকে। বুধবার সাত আসামিকে আনা হয় কক্সবাজার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।

তদন্তকারী সংস্থা র‍্যাব- তাদের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করলেও আদালত সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। রিমান্ড শুনানির পর বিচারক তামান্না ফারাহের এজলাসে, টেকনাফ থানার একটি মামলার তিন অপহৃত ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তাদের জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন জানিয়েছিল পুলিশ। এই অপহরণ মামলাটি পুলিশ প্রভাবিত একটি মামলা বলে সংবাদ প্রচার করে যমুনা টেলিভিশন। শুনানি শেষে আদালত পুলিশের আবেদন আমলে না নিয়ে তা খারিজ করে দেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাত ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ৫ আগস্ট ওসি প্রদীপ ও দায়িত্বরত পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয়জনকে আসামি করে সিনহার বোন কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ৯ পুলিশ সদস্যকেই বরখাস্ত করা হয়। মামলাটি তদন্ত করছে কক্সবাজার র‌্যাব-১৫। ওই মামলায় ওসি প্রদীপসহ ৩ জনকে ৭ দিনের রিমান্ড ও অন্য আসামিদের দুদিন করে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন আদালত। ওসি প্রদীপসহ ৭ আসামি এখনও কারাগারে রয়েছে। একই ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় ৯ আগস্ট সিনহার সহযোগী শিপ্রা দেবনাথ ও ১০ আগস্ট সাহেদুল ইসলাম সিফাত জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান। তবে পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ, পুলিশের চার সদস্য ও ওসি প্রদীপসহ মোট ১০জন কারাগারে রয়েছে। কারা গেইটে জিজ্ঞাসাবাদ করা পুলিশের চার সদস্য ও সন্দেহজনক আসামী পুলিশের সাক্ষী তিনজনকে আদালত ৭ দিন করে কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন। সেই আদেশেই শুক্রবার তাদের জিজ্ঞাসাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: