প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

হারুন-অর-রশীদ

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর-১ আসনে এমপি নির্বাচন করতে চায় আল আমিন

   
প্রকাশিত: ১২:২৫ অপরাহ্ণ, ২৮ নভেম্বর ২০২০

গতানুগতিক হিংসাত্মক রাজনৈতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে তরুণ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন ফরিদপুর -১ (বোয়ালমারী, মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা) থেকে ‘সংসদ সদস্য’ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে (সতন্ত্র প্রার্থী) আল আমিন হাসান। সে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না গ্রামের জয়েনউদ্দিন মোল্যার ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, আল আমিন ২০০৬ সালে ময়না এসি বোস ইনস্টিটিউশন থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাশ করেন, পরে একই উপজেলার সরকারি বোয়ালমারী কলেজ থেকে ২০০৮ সালে বাণিজ্য বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে পাস করেন। এরপর ২০১২ সালে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ইংরেজি বিভাগ থেকে অনার্স ও ২০১৩ সালে একই বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করেন।

স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী আল আমিন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, ছোটবেলা থেকেই মানুষের জন্য কাজ করার স্বপ্ন দেখতাম।পড়ালেখার পাঁশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। ‘সমাজ সেবা যুব সংঘ’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এলাকায় শিক্ষা, দারিদ্র্য ও জনসচেতনতায় মানুষের পাঁশে থাকার চেষ্টা করেছি। ব্যক্তিগতভাবে মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ, সামর্থ বা পরিধি কম। সেক্ষেত্রে ব্যাপক পরিসরে মানুষের জন্য কাজ করার চিন্তা থেকেই রাজনীতিতে আসার পরিকল্পনা। তাইতো সকলের দোয়া ও সমর্থন চাই।

তিনি বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগ আমাকে ভাবিয়ে তোলে। তাঁরা দেশের সার্বভৌমত্বসহ গণমানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন তাদের আত্মত্যাগই আমাকে গণমানুষের মুক্তির সংগ্রামে জড়াতে অনুপ্রাণিত করেছে।

এই এমপি প্রার্থী গণমাধ্যমকে জানান, তিনি নির্বাচনে জয়লাভ করলে,

১. প্রতিটি ইউনিয়নে আধুনিক পাঠাগার নির্মাণ।

২. মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকমন্ডলী ও প্রবীণ নাগরিকদের সমন্বয়ে উপদেষ্টা পরিষদ এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে ‘দূর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ পরিষদ’ এবং স্থানীয় যুবকদের নিয়ে ‘উন্নয়ন পরিষদ’ গঠন।

৩. আমার নির্বাচনী এলাকায় শিক্ষার হার ১০০% এ উন্নীতকরণ, সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও বনায়ন নিশ্চিতকল্পে সামাজিক বিপ্লব তৈরী করা।

৪. আমাদের দেশের শিক্ষকরা অবেহেলিত। তাঁদের উন্নত জীবন-যাপনের সুযোগ তৈরী করার ব্যাপারে জাতীয় সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন। সাথে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়ালেখার পাঁশাপাশি দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের কুঁটির শিল্প ও ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে উপার্জনের ব্যবস্থা করা।

৫. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আধুনিক ছোঁয়া গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দিয়ে ও বেকার নারী-পুরুষের প্রশিক্ষণ দিয়ে আয়ের ব্যাবস্থা করা।

৬. কৃষকদের বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ ও বিনা সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা ও তাঁদের উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা।

৭. কাঁচা রাস্তা পাকা করা, প্রতিটি এলাকায় বৃদ্ধদের জন্য আরামদায়ক স্থায়ী লাউন্জ তৈরী করা।

৮. বিনোদনের জন্য তিন উপজেলায় তিনটি পার্ক, মানসম্পন্ন স্টেডিয়াম নির্মাণ ও নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগের ব্যাবস্থা করা।

৯.বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিকরণ, ও সরকারিভাবে তিন উপজেলায় তিনটি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা প্রভৃতি।

আল আমিন বলেন, আমাকে এ আসনের লোকজন ভালোবেসে ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচন করলে, জনগণের সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নেয়া ও যে কোন প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে হলেও পাঁশে থাকার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ্। আমাদের মনে রাখতে হবে, রাজনৈতিক স্টেজ বা এ সি রুমে বসে খেটে খাওয়া মানুষের কষ্ট বোঝা যায় না। কষ্ট বুঝতে হলে মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে কষ্ট অনুভব করতে হয়।

 

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: