এ আর রাশেদ

ইবি প্রতিনিধি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ পাচ্ছেন ইবির ৩৭ শিক্ষার্থী

   
প্রকাশিত: ৭:৫৩ অপরাহ্ণ, ১১ জানুয়ারি ২০২১

ছবি: প্রতিনিধি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ ২০২০-২১ এর জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিভিন্ন ৩৭ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন। সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে, ভৌতবিজ্ঞান, খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এই তিন ক্যাটাগরিতে মনোনীত মোট তিন হাজার ২৪৯ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে ভৌতবিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে ইবির চার বিভাগের ১৮ জন এবং জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে দুই বিভাগের ১৯ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন।

ভৌতবিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন- রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের সিনথিয়া খান, সোহানা পারভীন, তাথিয়া ইয়াসমিন, কাজী সুরাইয়া খান, নুসরত জাহান, আবু সাঈদ, শামীম ইসলাম, আফরোজা আক্তার, আদনান বিন আলীম, হারুন অর রশীদ, ইভানা ইসলাম।

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সেলিম রেজা জীবন, ইসমাত জাহান, আলী হাসান, সোনিয়া খান, সাব্বির আহমেদ, পরিসংখ্যান বিভাগের মামুনুর রশীদ ও আইসিটি বিভাগের রুহুল আমিন।

জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা বিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে মনোনীতরা হলেন- বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস, ওয়ালিদ হাসান, জিনিয়া আফরিন, শারমিন আক্তার শাম্মি, মুনতাহা বিনতে মুখলেস, সায়ান আলী, রাকিবুল ইসলাম, রেহেনা আক্তার, বিথি খাতুন, অংকন খান, আব্দুস সবুর, জান্নাতুল ফেরদাউস পারভেজ, মনিরা আক্তার, সানজিদা খাতুন।

এছাড়া ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের তারেক আজিজ, রাকিবুল ইসলাম, মাইনুর রেজা, বিল্লাল হোসেন, তায়েবা তাসনিমা এ ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, মনোনীত শিক্ষার্থীরা প্রত্যেকে গবেষণার জন্য ৫৪ হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন। ১৯৭৭-১৯৭৮ অর্থ বছর থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়/গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত/গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি এবং পোস্ট-ডক্টরাল পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রী/গবেষকদের এই অনুদান দেওয়া হয়।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: