প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

পৌরসভা নির্বাচন

হামলা-সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ, ভোট বর্জনের মধ্যেই চলছে নির্বাচন

   
প্রকাশিত: ১২:৫৪ অপরাহ্ণ, ১৬ জানুয়ারি ২০২১

দ্বিতীয় ধাপে আজ শনিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে ৬০টি পৌরসভার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে হামলা-সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন স্থানে অনিয়মের অভিযোগে মেয়র প্রার্থীসহ কাউন্সিলর প্রার্থীরাও ভোট বর্জন করেছেন।

পাবনা ও বাগেরহাটে ভোটকেন্দ্রে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ফেনীতে ককটেল বিস্ফোরণে পুলিশ সদস্যসহ দুইজন আহত হয়েছে।

বাগেরহাটের মোংলায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়। পাবনার ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ করেছেন বিএনপি প্রার্থী। তিনি জানান ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে তাকে বাধা দেয়া হয়। পরে তাদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়।

এদিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ভোটারদের কেন্দ্রে থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। তারা জানান, সকালে কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে তাদেরকে বের করে দেয়া হয়।

এছাড়া, রাজশাহীর বাগমারার ভবানীগঞ্জ পৌরসভায়ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী।

বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট পৌরসভা নির্বাচনে কারচুপি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ এনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মো. জুলফিকার আলী ও ১২ জন কাউন্সিলর প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় মোংলা মাদরাসা রোডে জুলফিকার আলীর বাসায় নির্বাচনি অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ঘোষণা দেন।

জুলফিকার আলী সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, আমার সামনেই আমার আত্মীয়-স্বজনসহ নেতাকর্মীদের মারধর করা হয়েছে। জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বলার পরেও তারা গুরুত্ব দেয়নি।

ইলিয়াস/এসক

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: