প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

টাকা’র অভাবে অন্ধ হতে বসেছে শিশু ইয়াসিন!

   
প্রকাশিত: ১০:৫৩ অপরাহ্ণ, ২ মার্চ ২০২১

ছবি: প্রতিনিধি

আবদুল কাদির, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) থেকে: মুসলমানদের প্রতি বছরে খুশি নিয়ে আসে পবিএ ঈদ। কিন্তু এই খুশির ঈদই বিষাদে রূপ নেয় শিশু ইয়াসিনের পরিবারে। ঈদের দিন খেলতে গিয়ে বাঁশের কঞ্চির আঘাত লাগে সাড়ে ৪ বছরের শিশু ইয়াসিনের চোখে। কঞ্চির আঘাতে নষ্ট হয়ে যায় তার বাম চোখের কর্ণিয়া। ঘটনাটি গত মাহে রমজানের সময় যতই যাচ্ছে চোখের মাংসপিণ্ড দিনদিন চোখের বাহিরে চলে আসছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন কর্ণিয়া সংযোজন। নয়তো নষ্ট হয়ে যেতে পারে অপর চোখটিও। এমন শঙ্কায় দিন কাটছে ছোট্ট শিশু মো:ইয়াসিন মিয়ার। ইয়াসিন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নের ইয়ারপুর গ্রামের দিনমজুর মো. আবুল বাসারের ছেলে।

আবুল বাশারের দৈনন্দিন যা আয় হয়, তা দিয়েই চলে ২ ছেলে আর ১ কন্যাকে নিয়ে ৫ সদস্যের পরিবার। ঈদের দিনে বন্ধুদের সঙ্গে খেলা করছিলো ইয়াসিন। হঠাৎ করে বাচোখে কঞ্চির আঘাত পায় ইয়াসিন। বাবা তাৎক্ষনিক ছুটে যান গৌরীপুর ডা. মুকতাদির চক্ষু হাসপাতালে, তারপরে সেখান থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগে দীর্ঘদিন চলে চিকিৎসা। কিন্তু দিন দিন শিশুটির চোখের অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। এরপর রেফার করা হয় ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট এ্যান্ড হসপিটালে। সেখান থেকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চলে দীর্ঘদিন চিকিৎসা। অসহায় বাবা সন্তান কাঁধে নিয়ে ছুটে চলেন এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষটির সংসার চলে অর্ধাহারে অনাহারে। চিকিৎসার খরচ যোগাড় করতে গিয়ে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের নিকট থেকে সহযোগিতাও নিয়েছেন বার বার। এখন নিরুপায় অসহায় এই বাবা। প্রয়োজন আর্থিক সহযোগিতা।

বর্তমানে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ডা. নুসরাত শারমীনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে শিশু ইয়াসিন। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, কর্ণিয়া সংযোজন ব্যতীত ইয়াসিনের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব নয়। আর এই কর্ণিয়া যোগাড় ও প্রতিস্থাপন করতে প্রয়োজন দেড় লাখ টাকা। যা অসহায় বাবার পক্ষে আদৌ সম্ভব নয়। সন্তানের এমন অনিশ্চিত জীবন আর ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কিত বাবা।

ইতোমধ্যে চোখের ক্ষতস্থানটি বড় হয়ে যাচ্ছে। চোখের বাহিরে বেড়িয়ে আসছে লাল মাংসপিণ্ড। বাবার চোখের দৃষ্টি এখন সন্তানের দিকে, শুধু প্রয়োজন আর্থিক সহযোগিতা। তিনি সহৃদয় ও বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সহযোগীতা কামনা করেছেন। সহযোগিতা পেলে ইয়াসিন ফিরে পাবে নতুন চোখ ও দৃষ্টি। সহযোগীতা করতে চাইলে ইয়াসিনের বাবার নগদ বা বিকাশ নাম্বার ০১৭৬৬-৭৩৫৮০৮, প্রয়োজনে মুঠোফোন ০১৯৪৭-৮১৫২১৭ যোগাযোগ করতে পারেন।

কাওসার/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: