প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

জমজম কূপের প্রকৌশলী মারা গেছেন

   
প্রকাশিত: ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ, ৪ মার্চ ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

জমজম কূপের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ড. ইয়াহইয়াহ হামজা কোশক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)। সোমবার (১ মার্চ) মৃত্যুবরণ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮০ বছর। সৌদি সংবাদ মাধ্যমে জানা যায়, তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছে সৌদি আরব। প্রকৌশলী ড. ইয়াহইয়া হামজা কোশককে সৌদি আরবের প্রকৌশলীদের জনক হিসেবে পরিচিত। জমজম কূপসহ অনেক উন্নয়ন কাজে অবদান রেখেছেন জনক ড. কোশক।

১৯৭৯ সালের জমজম কূপ পরিষ্কারকরণ প্রকল্পটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ পরিষ্কারকরণ প্রকল্প। এ প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য ছিল জমজম কূপের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করতে জঞ্জাল অপসারণ করা, এই সংস্কারের কারণে জমজম কূপের পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছিল। ওই সময়, তিনি ও তার দল জমজম কূপকে অতিবেগুনী রশ্মি দিয়ে জীবাণুমুক্ত করেন।

জমজম কূপের পানির প্রবাহধারা ও পরিচ্ছন্নতার ওপর তিনি ‘Zamzam: The Holy Water’ নামে একটি বই রচনা করেন। ওই বইয়ে তার দেখা জমজম কূপের অভ্যন্তরের বিবরণ স্থান পেয়েছে। সেখানে তিনি পবিত্র এই কূপের প্রত্নতাত্বিক সব বিষয় তুলে ধরেছেন।

প্রকৌশলী ইয়াহইয়া জানিয়েছিলেন, ‘জমজম কূপের মধ্যে তিনি পানির দু’টি উৎস দেখেছিলেন। যার একটি এসেছে কাবার দিক থেকে আর একটি এসেছে আজিয়াদের দিক থেকে।’ এ ছাড়া জমজম কূপের ভেতরে পাথরের মধ্য ছোট ছোট বারোটি গর্তের অস্তিত্ব রয়েছে বলে ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা যায়।

তিনি তার বইয়ে উল্লেখ করেছেন, ‘জমজম কূপের পানি চমৎকার স্বাদযুক্ত এবং রোগ প্রতিরোধক।’

পবিত্র নগরী মক্কার এক সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী পরিবারে জন্ম নেন প্রকৌশলী ড. ইয়াহইয়াহ হামজা কোশক। তার পিতা মক্কার বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। হজ মৌসুমে তার বাবা ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ তুর্কি থেকে আগত হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের সেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনিই প্রথম জমজমের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কূপেরে ভেতরে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি সৌদি আরবের ন্যাশনাল ওয়াটার কোম্পানির মহাপরিচালক ছিলেন। সৌদির প্রেস ও প্রকাশনা সংস্থার সদস্যও ছিলেন তিনি।

কাওসার/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: