প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

মোঃ এস হোসেন আকাশ

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

বিয়ের মাত্র সাত মাসেই লাশ হলো সাবিনা, স্বামী ও শাশুড়ি আটক

   
প্রকাশিত: ৫:১১ অপরাহ্ণ, ২৩ এপ্রিল ২০২১

ছবি: প্রতীকী

কিশোরগঞ্জের ইটনায় সাবিনা আক্তার (১৮) নামে এক নববধূর স্বামীর বাড়িতে রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের পাগলশী বন্দের বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত সাবিনা আক্তার পাগলশী বন্দের বাড়ির সোহেল মিয়ার স্ত্রী ও পার্শ্ববর্তী পাগলশী গ্রামের ইদ্রিছ মিয়ার মেয়ে।

পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জের ধরে নববধূ সাবিনাকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক সাজাচ্ছে স্বামী সোহেল ও তার পরিবার। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত সাবিনার স্বামী সোহেল মিয়া (২১) ও শাশুড়ি ফুলবানু (৪০) কে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত সাবিনার পরিবার জানায়, মাত্র সাত মাস আগে পাগলশী বন্দের বাড়ির আলাল মিয়ার ছেলে সোহেলের সাথে সাবিনার বিয়ে হয়। অভাব-অনটনের সংসারে বিয়ের কিছুদিন পর থেকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সাথে সাবিনার কলহ চলে আসছিল। পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক এই কলহের জের ধরে বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাতে সোহেল স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে এই হত্যাকাণ্ডকে ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যা হিসেবে অপপ্রচারের চেষ্টা করে।

পুলিশ জানায়, সাবিনা বাড়ির পাশের একটি গাছের সাথে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তার স্বামী সোহেল জানিয়েছে। সোহেল জানায়, মধ্য রাতের দিকে এই ঘটনার বিষয়টি জানতে পেরে সোহেল স্ত্রী সাবিনাকে ফাঁসি থেকে নামিয়ে স্থানীয় জয়সিদ্ধি বাজারের এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

তবে সাবিনার পরিবারের লোকজন বিষয়টি মানছেন না। তারা দাবি করছেন, সাবিনাকে মেরে তারপর আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ইটনা থানার ওসি মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান বিপিএম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ঘটনাস্থল থেকে ওসি মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান বিপিএম জানান, নিহতের লাশের সুরতহালসহ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত সাবিনার স্বামী সোহেল মিয়া (২১) ও শাশুড়ি ফুলবানু (৪০) কে আটক করা হয়েছে।

নাঈম/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: