মো. ইলিয়াস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

অদৃশ্য শক্তির হাতের ইশারায় থামাতে চায় গাড়ি !

   
প্রকাশিত: ১:৪৭ অপরাহ্ণ, ২৬ মে ২০২১

ঢাকা চিটাগাং রোডে রাজধানীর কাজলায় হানিফ ফ্লাইওভারের ঢালুতে দু’পাশ ধরেই চলছে যানবাহন। চলন্ত এসব যানবাহনের কোনো তোয়াক্কা করছে না পথচারীরা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপারে ব্যস্ত তারা। চলন্ত বাস, ট্রাক, সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও প্রাইভেটকারের মধ্যদিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছেন পথচারীরা। এছাড়া বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায় হাতের ইশারায় থামিয়ে দিতে চায় গাড়ি। পথচারিরা ভাবে হাতের ইশরায়ই গাড়ি থেমে যাবে আর তারা নিশ্চিন্তে রাস্তা পার হয়ে যাবে।

এবিষয় কয়েকজন গাড়ি চালক ক্ষোভের সহকারে জানান, ‘কিছু কিছু মানুষ রাস্তা পার হবার সময় আশে পাশে না তাকিয়ে হাতের ইশারায় গাড়ি থামিয়ে ফেলতে চায়। হাত উচু করে গাড়ি থামার ইশারা দেয়। তারা কখনও চিন্তা করেনা যে গাড়িটি একটি যন্ত্র ইচ্ছে করলেই সব সময় থামানো সম্ভব হয়না। একারনে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে।’

অনেকে পথচারীকে দৌড়ে কিংবা মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে ঝুঁকি নিয়েই এভাবে রাস্তা পারাপার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। ফ্লাইওভারের ঢালুতে ফুট ওভারব্রিজ বা জেব্রা ক্রসিং রাখার নিয়ম না থাকালেও এখান দিয়ে রাস্তা পারাপারের সুযোগ থাকায় পথচারীরা এভাবে রাস্তা পার হচ্ছে।

ফ্লাইওভারের ঢালু থেকে আনুমানিক দুইশো গজ দূরত্বে শনি আখড়ায় ফুটওভার ব্রিজ থাকলেও সময় বাঁচাতে ঝুঁকি নিয়ে ব্যাস্ততম সড়ক পারাপার হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায় ফ্লাইওভারের ঢালুতে গণপরিবহন থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো হচ্ছে। এমন কি ব্যস্ত রাস্তায় প্রতিযোগিতা করা হচ্ছে যাত্রী নেওয়ার জন্য। বাস থামানো হচ্ছে রাস্তার মাঝপথে, এতে করে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু রাস্তার মাঝে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করলেও এতে নেই কোনো নজরদারি।

নিরাপদ সড়ক চাই-এর (নিসচা) প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, একটু কষ্ট করতে চাই না, আমাদের এমন মনমানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। একটু হেঁটে সামনে গেলেই শনি আখড়া ফুটওভার ব্রিজ রয়েছে ওখান দিয়ে কোনো ঝুঁকি ছাড়াই পারাপার হওয়া যায়। আমাদের মনমানসিকতা এমন হয়েছে যে, আমরা চাই গণপরিবহন আমাদের ঘরের দরজায় আসলেই ভালো হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহম্মদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার নতুন নিয়োগ হয়েছে এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। এবিষয়ে জানার জন্য তিনি প্রধান প্রকৌশলীকে কল দিতে বলেন। প্রধান প্রকৌশলীকে একাধিকবার কল করা হলেও তার কোন সাড়া পাওয়া যায় নি।

শাওন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: