প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

হারুন অর রশিদ রাজিব

বিশেষ প্রতিনিধি, নোয়াখালী

কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের হরতালের ডাক

   
প্রকাশিত: ২:৫০ অপরাহ্ণ, ১২ জুন ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলার ঘটনায় ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (১২ জুন) দুপুরে ফেসবুক লাইভে এসে এ ঘোষণা দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র ও কাদের মির্জার ভাগনে মাহবুবুর রহমান মঞ্জু। এ সময় তিনি হরতাল বাস্তবায়নে নেতাকর্মীদের মাঠে নামার আহ্বান জানান।

মঞ্জু বলেন, মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে এখন থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা হরতাল কর্মসূচি পালন করা হবে। এ সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত শনিবার (১২ জুন) সকাল পৌনে ৯টার দিকে বসুরহাট বাজারের ইসলামী ব্যাংকের সামনে মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীরা এ হামলা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় হামলাকারীরা বাদলের ব্যক্তিগত গাড়িটি ভাঙচুর করেন।

বাদলের সমর্থকদের অভিযোগ, সকালে মেয়র কাদের মির্জা তার ৩০-৩৫ জন অনুসারী নিয়ে বসুরহাট বাজারে মহড়া দিচ্ছিলেন। নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি বাদল ও সাবেক ছাত্রনেতা হাসিব আহসান আলাল ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তাদের গাড়িটি বসুরহাট ইসলামী ব্যাংকের সামনে দাঁড়ালে কাদের মির্জার নির্দেশে তার অনুসারীরা বাদল ও আলালের ওপর হামলা চালায়।

এ সময় বাদলের শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম ও কানের একটি অংশ ছিড়ে যায়। পরে একজন অটোরিকশাচালক তাকে উদ্ধার করে প্রথমে থানায় ও পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাদলকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার পেশকারহাট রাস্তার মাথা, চরএলাহী ও চরফকিরা এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেন বাদলের সমর্থকরা।

এ বিষয়ে কথা বলতে মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার ব্যক্তিগত মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ যুগান্তরকে জানান, বাদলকে উদ্ধার করে প্রথমে থানায় নিয়ে আসা হয়। তিনি পুলিশকে জানান, আবদুল কাদের মির্জার নির্দেশে তার অনুসারীরা এ হামলা চালিয়েছে। তবে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

এর আগে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নূর নবী চৌধুরীর ওপর হামলা চালানো হয়। নূর নবী চৌধুরী এখনও ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

ইলিয়াস/এসক

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: