প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

মোঃ মনিরুজ্জামান

কালিয়াকৈর, গাজীপুর প্রতিনিধি

ভ্যাকসিন সুরক্ষা জন্য এসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি

   
প্রকাশিত: ৪:৫০ অপরাহ্ণ, ২৭ জুলাই ২০২১

ছবি: প্রতিনিধি

বাংলাদেশে ব্যাপক আকারে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন (করোনা টিকা) প্রদান শুরু হয়েছে। টিকা নেওয়ার প্রবণতা প্রথমদিকে কম থাকলেও বর্তমানে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে সাধারণ মানুষের। তাই ব্যাপক হারে টিকা গ্রহণের গ্রাহক বেড়েছে কয়েকগুণ। সারা বাংলাদেশের টিকাদান কেন্দ্রের মত গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা গ্রহণের জন্য ব্যাপক ভিড় করছেন জনসাধারণ। কিন্তু এই টিকাকেন্দ্রে ভ্যাকসিন প্রয়োগে নেই সুষ্ঠু কোন ব্যবস্থাপনা। ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে টিকা গ্রহণ করতে আসা জনগণের। উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি, মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। গাদাগাদি করে একজনের উপর আরেকজন ভর করে টিকা কার্ড জমা দিতে হচ্ছে। টিকা কার্ড জমাদানের নেই কোন লাইন বা নিয়ম নীতি। বিশেষ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মহিলা টিকাকেন্দ্রে এরকম অনিয়ম চোখে পড়ার মতো। এতে করে সাধারণ মানুষ একেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন অপরদিকে টিকা গ্রহণ করতে এসে মানুষের মনে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ভয় বিরাজ করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরুষ টিকাকেন্দ্রে নামেমাত্র লাইন বা সাড়ি দেখা গেলেও মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব এদিকে মহিলা টিকাকেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধির কোন বালাই-ই নেই। অনেকের মুখে মাস্ক থাকলেও নেই কোন সামাজিক দূরত্ব। নেই কোন সুনির্দিষ্ট লাইন বা কার্ড জমা নেওয়ার সাড়ি। যে যেভাবে পারছে ওইভাবেই একজনের উপর আরেকজন ভর করে টিকা কার্ড জমা দিচ্ছেন। যেখানে গাদাগাদি করে টিকা কার্ড জমা নেওয়া হচ্ছে সেখানে তিল ধরানোর ঠাই নেই। টিকাদান কর্মসূচি এভাবে চলতে থাকলে সংক্রম রোধের বিপরীতে এর হার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা যাচ্ছে। টিকা নিতে আসা যশোদা রানী বলেন, এটা কোন নিয়ম হইল? যে যেভাবে পারে কার্ড জমা দিচ্ছে আবার টিকা নিচ্ছে সুষ্ঠু কোনো নিয়ম নেই। এখানে কোন প্রকার লাইন করাইনি এভাবে আমাদের কার্ড জমা দিতে খুব কষ্ট হচ্ছে। হাসপাতালে নিয়ম যদি এরকমই থাকে তাহলে মানুষ সুরক্ষার জন্য এসে উল্টো সংক্রমিত হয়ে যাবে।

নাসিমা আক্তার নামে আরেকজন বলেন, এখানে কোন প্রকার নিয়ম-নীতি নাই। এখানে যেভাবে গাদাগাদি করে কার্ড জমা দিতে হচ্ছে এতে করে মানুষ আরও অসুস্থ হয়ে পড়বে। প্রতিদিন যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা এরকম থাকলে আরও করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে আরও নজর দিতে হবে।
এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা ডা. আল-বেলাল জানান, আমাদের এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লোকবলের অভাব। যেহেতু ঘরে ঘরে করোনা পৌঁছে গেছে তাই সকলের অবশ্যই টিকা নিতে হবে। দেখছি আরো সুন্দর করে কিভাবে দেওয়া যায়। তারপরও আমরা এ ব্যাপারে আরও চেষ্টা চালাচ্ছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজওয়ার আকরাম ইবনে সাকাপি জানান, বিষয়টি এই মাত্র জানতে পারলাম। ঠিক আছে, এ ব্যাপারে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিব।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: