দেশের যে জেলায় ১৩ গ্রামে চলাচলের রাস্তা নেই, শুধু আছে সেতু

   
প্রকাশিত: ৪:৫৮ অপরাহ্ণ, ২৭ জুলাই ২০২১

ছবি: সংগৃহীত, ইন্টারনেট

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের অন্তত ১৩ গ্রামের মানুষের চলাচলের রাস্তা না থাকলেও সেতু নির্মাণ হয়েছে প্রায় ৩ বছর আগেই। ইউসুফদিয়া, আতœপুরা, বারখাদিয়া, তুগোলদিয়া, নওপাড়া এবং মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কুমারপট্টি, মাঝারদিয়া গ্রামের জনগনের ব্যবহারের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৮-২০১৯ ইং অর্থ বছরে তুগলদিয়া বেদাখালী খালের উপর নির্মান করা হয়েছে একটি সেতু। অপরটি একই ইউনিয়নের শিহিপুর ফসলী মাঠের মধ্যে। ফুলতলা, কাঠালবাড়ীয়া, পুরুরা, মিরাকান্দা, কামদিয়া, সালথাা জনগনের চলাচলের জন্য শিহিপুরে সেতু নির্মান করা হয়েছে কিন্তু সেখানেও নেই সংযোগ সড়ক। ফলে চলতি বর্ষা মৌসুমে সেতু থাকলেও চলাচলের একমাত্র ভরসা এখন নৌকা। এতে বিপাকে পরেছে ১৩ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দেশ উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু আমাদের গ্রামের চলাচলের কাঁচা রাস্তাই তো এখনও হয়নি। আমাদের আগে প্রয়োজন সড়ক তারপর সেতু। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, সংযোগ সড়ক কবে হবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে জানতে চাইলে তারা শুকনো মৌসুমে বলে, কিছু দিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে, বর্ষায় বলে শুকনো মৌসুমেই কাজ শুরু হবে।সরেজমিনের দেখা যায়, ভাওয়াল ইউনিয়নের তুগোলদিয়া বেদাখালী খালের উপর সেতুটি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৩০ লাখ ৭৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। অপরটি ভাওয়াল ইউনিয়নের শিহিপুর মাঠের উপর নির্মান করা হয়ে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পরিতোষ বড়ই মুঠোফোনে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, সেতুর দুইপাশে সংযোগ সড়ক নির্মানের ব্যাপারে চেয়ারম্যান প্রকল্প নিয়েছে। পাট বড় হয়েছে এজন্য কাজটি শুরু করতে পারছে না। ভাওয়াল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফকির মিয়া গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, বর্তমানে রাস্তার মাটি কাটার ব্যবস্থা নাই। শুকনো মৌসুমে আমি সাড়ে ৪ লাখ টাকা মাটি কেটে দিব।

ফরমান/মস

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: