প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

কারখানার শ্রমিকদের উদ্দেশ্য যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

   
প্রকাশিত: ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ, ৩১ জুলাই ২০২১

ফাইল ছবি

দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ২৩ জুলাই থেকে চলছে কঠোর বিধিনিষেধ। এসময়ে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন, শিল্প-কারখানা ও শপিংমল। অকারণে বাইরে চলাচলেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। তবে এরই মধ্যে আগামী ১ আগস্ট থেকে পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারখানা খোলার খবরে ফের ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে শ্রমিকরা।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, ৫ আগস্টের আগে ঢাকার বাইরের শ্রমিকদের পোশাক কারখানায় যোগ দেওয়ার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। তিনি বলেন, ‌‌‘এক্ষেত্রে শ্রমিকদের চাকরি চলে যাওয়া নিয়ে কোনও চিন্তা করতে হবে না।’ শুক্রবার (৩০ জুলাই) রাতে একাত্তর টেলিভিশনের নিয়মিত অনুষ্ঠান-একাত্তর জার্নালে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে যুক্ত অতিথিদের প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পোশাক কারখানার মালিকদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। তারা বলেছেন, শুধু ঢাকায় অবস্থানরত শ্রমিকরা কারখানায় যোগদান করবে। ঢাকার বাইরে থেকে কেউ আসবে না। কোনও গণপরিবহন চলবে না। ঢাকার বাইরের শ্রমিকরা যে যেখানে আছে সে সেখানেই থাকবে। ৫ আগস্টের পর শ্রমিকরা পর্যায়ক্রমে কারাখানায় আসবে এবং কাজে যোগ দেবে। কারো চাকরি হারানোর ভয় নেই।’

কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে কেন কারখানা খুলে দেওয়া হলো এমন প্রশ্নের জবাবে ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘‌আমরা সব সময় চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছি। চ্যালেঞ্জ নিয়েই আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। আমাদের ‌অর্থনীতির কথাও ভাবতে হবে। রফতানিমুখী শিল্পের মধ্যে গার্মেন্টস অন্যতম। ৪০ থেকে ৫০ লাখ শ্রমিক এ খাতে কাজ করে। বাইরে থেকে অর্ডার নিতে হয়। অর্ডার বন্ধ হয়ে গেলে শিল্প ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। অসংখ্য মানুষ কাজ হারাবে। অর্থনীতিতে এর একটা প্রভাব পড়বে।’

না.হাসান/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: