প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

ইয়ানুর রহমান

যশোর প্রতিনিধি

যশোরে জামাইয়ের হাতে শ্বশুরের মৃত্যুর অভিযোগ

   
প্রকাশিত: ৭:০৩ অপরাহ্ণ, ১২ অক্টোবর ২০২১

ছবি- সংগৃহীত

যশোরের শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়ানে দূর্গাপুর গ্রামের ছত্রাপাড়ায় পারিবারিক কোন্দলকে কেন্দ্র করে জামাইয়ের হাতে শ্বশুর আবু মুসা (৫৫) খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৮ টার সময় হত্যার ঘটনাটি ঘটে। নিহত আবু মুসা একই গ্রামের মনছের বিশ্বাসের ছেলে।

এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৮ দিকে আবু মুসা তার নাতি ছেলে আরিয়ান (৪) কে তার দাদা বাড়ি থেকে আনতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তার জামাই তুহিন (২৫) সহ তার ছোট ভাই রুহিন (২০), তাদের পিতা আব্দুল কুদ্দুস (৫৫), চাচা সুসান (৪৫) এবং কয়েকজন মিলে দেশীয় অস্ত্র দা, বটি, বাঁশ, লাঠি ও রড দিয়ে এলোপাথাড়ি মার শুরু করে। মারধরের এক পর্যায়ে মুসা ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরিবর্তিতে এলাকাবাসী ও আত্মীয়-স্বজন তাকে উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্য ঘোষণা করেন।

শার্শার লক্ষনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগম বিডি২৪লাইভকে বলেন, গ্রাম্য সালিসে সিদ্ধান্ত হয় শিশুটি এক সপ্তাহ করে বাবা ও মায়ের কাছে থাকবে। কিন্তু সে কথা অমান্য করে তুহিন শশুরকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এ হত্যার কঠিন বিচার হওয়া উচিত।

নিহতের ভাই আলী হোসেন বিডি২৪লাইভকে জানান, এটা পরিকল্পিত হত্যা। হত্যার সাথে জড়িত সকলের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়। যাতে আর কেউ এমন জঘন্য অপরাধ করতে না পারে।

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জাহিদুল ইসলাম বিডি২৪লাইভকে জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার আগেই আবু মুছার মৃত্যু হয়। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শার্শা থানার সাব-ইন্সপেক্টর সাব্বির হোসেন বিডি২৪লাইভকে জানান, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলা শেষ হলে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য যে, আবু মুসার কন্যার সহিত একই গ্রামের কুদ্দুসের পুত্র তুহিনের ৫ বছর আগে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে ৪ বছর বয়সের একটি পুত্র সন্তান আছে। গত ২ মাস আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে।

এআইআ/এইচি

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: